• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • HOW WILL POULTRY INDUSTRY SURVIVE IN THIS COVID SITUATION COLCLAVE SHOWS THE WAY AKD

মাথায় হাত ৭ কোটির! ঘুরে দাঁড়াতে পারবে পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রি?

কী ভাবে ঘুরে দাঁড়াবে পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রি?

দোলের মরশুমে প্রতিবছরের মতো বিক্রিবাট্টাও মন্দ হচ্ছিল না। অবস্থাটা বদলাতে শুরু করে গুজবকে কেন্দ্র করে।

  • Share this:

    #কলকাতা: করোনা আবহে লকডাউনের জেরে দেশের বহু শিল্পক্ষেত্রই রুগ্ন থেকে রুগ্নতর হয়েছে। পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিতেও তার অন্যথা হয়নি। অসংখ্য প্রান্তিক মানুষ যারা এই ব্যবসায় যুক্ত, ছোট ছোট ফার্ম চালিয়ে আয় করেন, তাদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। এই অবস্থাতে এই ক্ষেত্রটি কি ঘুরে দা়ঁড়াতে পারবে? এই নিয়েই সম্প্রতি একটি ডিজিটাল কনক্লেভ হয়ে গেল। বক্তব্য রেখেছিলেন আনমোল ফিডসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তথা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অমিত সারোগি, শ্রীনিবাস ফার্মস প্রাইভেট লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান সুরেশ রায়াডু চিত্তুরি, প্রফেসর পিকে শুক্লা-সহ বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি।

    এ বছরের শুরুর দিকে বেশ ভাল অবস্থাতেই ছিল দেশের ছোট বড় পোলট্রি ফার্মগুলি। দোলের মরশুমে প্রতিবছরের মতো বিক্রিবাট্টাও মন্দ হচ্ছিল না। অবস্থাটা বদলাতে শুরু করে গুজবকে কেন্দ্র করে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি স্ফুলিঙ্গের মতো গুজব ছড়িয়ে পড়ে গুজব যে, মুরগির মাংস বা ডিম থেকে করোনা ছড়াতে পারে। এই অবস্থা বাজারের চাহিদা হুহু করে নামতে থাকায় চাষিদের মাথায় হাত পরে। কেউ ধার করতে বাধ্য হন, কেউ মুরগি মেরে ফেলেন।

    আনমোল ফিডসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অমিত সারোগি এদিন বলেন, ‘‘এই ক্ষতির পরিমাণ ২৬০০০ কোটি টাকা। ফলে দেনাগ্রস্থ অন্তত ৭ কোটি মুরগি প্রতিপালনকারী। আমরা পরিস্থিতিটা জানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং-কে চিঠি দিয়েছি, চিঠি দেওয়া হয়েছে বেঙ্গল পোলট্রি ফেডারেশনকেও।’’

    তিনি আরও জানান এই মুহূর্তে হাতে টাকা দিয়ে কোনও সমাধান হবে না। কাজেই অমিত সারোগি সওয়াল করছেন খোলা অর্থনীতির। যাতে ছোট ব্যবসায়ীদের হাতে টাকার জোগান আসে। একই সঙ্গে তিনি চান যাতে ছোট মুরগির দাম বেঁধে দেওয়া হয়। এতে চাষীদের সুবিধে।

    বলাই বাহুল্য, দুই দশক ধরে এই শিল্পে নানারদবদলের সাক্ষী থেকেছে আনমোল ফিডস। পোলট্রি ব্যবসায় নানা নতুন প্রযুক্তি আনা, চাষীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, তাঁদের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখার কাজ সাফল্যের সঙ্গে করে গিয়েছে তারা। এই অবস্থায় সংস্থা এখনও বিশ্বাস করে রোজগারের সেরা জায়গা হাঁস-মুরগি প্রতিপালন ৷ কারণ স্বল্প পুঁজিতে বেশি আয় সম্ভব এই ইন্ডাস্ট্রিতেই ৷

    Published by:Arka Deb
    First published: