• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • HOW MANY CASES FILED AGAINST OPPOSITION LEADER OF BENGAL SUVENDU ADHIKARI CALCUTTA HIGH COURT SEEKS REPORT FROM STATE GOVERNMENT SB

Case Against Suvendu Adhikari: শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ক'টা অভিযোগ, কী কী? চাওয়া হল রিপোর্ট!

শুভেন্দুর বিষয়ে রিপোর্ট দেবে রাজ্য

Case Against Suvendu Adhikari: বিচারপতি রাজশেখর মান্থা এদিন নির্দেশ দেন, রিপোর্ট আকারে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে হওয়া সব অভিযোগ ও এফআইআরের বিস্তারিত তথ্য সহ পেশ করতে হবে রাজ্যকে।

  • Share this:

#কলকাতা: বিধানসভা ফল বেরিয়েছে ২ মে। বিপুল জনাদেশে তৃতীয় বারের জন্য মসনদে বসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর আসন বাড়িয়ে প্রধান বিরোধী দল এখন বিজেপি। সেইসঙ্গেই প্রথমবারের জন্য রাজ্য থেকে বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতা হওয়ার কারণেই নাকি বারবার হেনস্থার চেষ্টা হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীকে। বৃহস্পতিবার এই মর্মে কলকাতা হাইকোর্টে  চাঞ্চল্যকর নালিশ ঠুকলেন চঞ্চল নন্দীর আইনজীবী। বিচারপতি সওয়াল শুনে রক্ষাকবচ দেন চঞ্চল নন্দীকে। আর বিরোধী দলনেতা সম্পর্কে রিপোর্ট চাইলেন রাজ্যের থেকে।

বিচারপতি রাজশেখর মান্থা এদিন নির্দেশ দেন, রিপোর্ট আকারে বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে হওয়া সব অভিযোগ ও এফআইআরের বিস্তারিত তথ্য সহ পেশ করতে হবে রাজ্যকে। ৪ সপ্তাহের মধ্যে এই রিপোর্ট দেবে রাজ্য।

ঘটনার সূত্রপাত মানিকতলা থানায় ফেব্রুয়ারি মাসে রুজু হওয়া একটি অভিযোগকে ঘিরে। প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মামলায় আর এক অভিযুক্ত চঞ্চল নন্দী হাইকোর্টে মামলা করে অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক রেষারেষির মধ্যে ঢুকে পড়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সওয়ালে সিনিয়র আইনজীবী পরমজিৎ পাটওয়ালিয়া জানান, রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে অহেতুক হেনস্তা করতেই এমন সাজানো অভিযোগ করা হচ্ছে। মুকুল রায়ের উদাহরণও সামনে আনেন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে আসায় মুকুল রায়কে যেভাবে বিব্রত করা হয়েছিল, ঠিক একই প্রক্রিয়া বর্তমান বিরোধী দলনেতাকে ঘিরে তা শুরু হয়েছে। মুকুল রায়ের মামলাগুলি হাইকোর্ট খারিজ করেছিল কেন, সেই যুক্তিও তুলে ধরেন তিনি।

রাজ্য বিজেপির তিন শীর্ষ নেতাকে কীভাবে সুপ্রিম কোর্ট রক্ষা কবচ দেয় সেই প্রসঙ্গও টেনে আনা হয় শুনানিতে। তবে রাজ্য সরকারের তরফে চঞ্চল নন্দীর আইনজীবীর সেই যুক্তি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ৫ সপ্তাহ পর দুই পক্ষের হলফনামা দেওয়া হলে এই মামলার শুনানি হবে। এই মামলায় সিবিআই তদন্তের আবেদন রাখা হয়েছে। তবে সেই আবেদন আপাতত বিবেচনায় নেই বলে সাফ জানিয়েছেন বিচারপতি। হলফনামা চালাচালি এবং চঞ্চল নন্দী ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে হওয়া এফআইআর, অভিযোগ রিপোর্ট আকারে সামনে এলে বিষয়টি পরে বিবেচনায় আসতে পারে বলে মত আইনজীবী মহলের একাংশের।

Published by:Suman Biswas
First published: