করোনা আতঙ্ক: চিনা রঙে আপত্তি মানুষের, দোলে মাথায় হাত বিক্রেতাদের

করোনা আতঙ্ক: চিনা রঙে আপত্তি মানুষের, দোলে মাথায় হাত বিক্রেতাদের
কিছুটা সেকেলে আবির আর ভেষজ আবির বিক্রি হচ্ছে, কিন্তু রঙ নিয়ে কোনও উৎসাহই নেই মানুষের

কিছুটা সেকেলে আবির আর ভেষজ আবির বিক্রি হচ্ছে, কিন্তু রঙ নিয়ে কোনও উৎসাহই নেই মানুষের

  • Share this:

#কলকাতা: বসন্তের রঙে এবার করোনা-আতঙ্ক। ফি বছরের মতো এবছরও বাজারে ঢালাও বিক্রি হচ্ছে নানা রঙ। সঙ্গে রয়েছে পিচকিরি আর মুখোশ। কিন্তু কেনার লোক নেই বাজারে। যাও বা কিছুটা সেকেলে আবির আর ভেষজ আবির বিক্রি হচ্ছে, কিন্তু রঙ নিয়ে কোনও উৎসাহই নেই মানুষের।

কারণ অবশ্যই করোনা ভাইরাস। চিনে করোনা ভাইরাস মূল কেন্দ্র, আর চিন থেকেই আসছে দোলের রঙ আর মুখোশ। কাজেই রঙ আর মুখোশ নিয়ে সাধারণ মানুষের আতঙ্কের শেষ নেই। ‘মেড ইন চায়না’ দোল তাই কার্যত বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কলকাতাবাসী। রঙের দোকানের উপচে পড়া ভিড় উধাও দোলের মাত্র দু'দিন আগে। আর তাতেই মাথায় হাত পড়েছে রঙ-দোকানিদের। তাঁরা প্রাণপণে বোঝাচ্ছেন, চিন থেকে রঙ আসা এখন প্রায় বন্ধ। কাজেই এ রঙে ভয় নেই। কিন্তু তাতে নিশ্চিত হতে পারছেন না ক্রেতারা। চিনা রঙ এ বার বর্জনই করেছেন অধিকাংশ মানুষ।রঙের দোকানদার সমীর দাসের কথায়, ‘আবির যাও বা বিক্রি হচ্ছে। রঙের প্রায় বিক্রি নেই। পিচকিরি আর চিনা মুখোশেরও তথৈবচ অবস্থা।’ আর এক দোকানদার পিন্টু গিরি বলেন, ‘অন্যান্য বছর এসময় দম ফেলার সময় পেতাম না। আর এ বার তো মাছি তাড়াচ্ছি।’ রঙ বিক্রেতা তমাল চক্রবর্তী বলেন, ‘ ধরে নিন আগের বছর ১০০ বিক্রি হয়েছে, এ বছর তবে ২ বিক্রি হচ্ছে। খুবই খারাপ অবস্থা। এত টাকা ঢেলে ফেলেছি। কী করব, বুঝতে পারছি না।’


যদুবাবুর বাজারে রঙ কিনতে এসেছিলেন শর্মিলা ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘এ বছর খুবই কম রঙ কিনছি। অল্প আবির ছাড়া কিছুই কিনছি না।’ আর এক ক্রেতা সমর দাসের কথায়, ‘নিজেরা তো রঙ কিনছিই না। ছেলেমেয়েরাও যাতে না কেনে, সে দিকে খেয়াল রাখতে হচ্ছে। ওদের তো এ বার বাইরে রঙ খেলতে যেতে দেওয়াও হবে না।’

SHALINI DATTA

Published by:Uddalak Bhattacharya
First published: