কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বেলুড়ে চলছে কুমারী পুজো, ইতিহাসটা জানলে আজও অবাক হতে হয়

বেলুড়ে চলছে কুমারী পুজো, ইতিহাসটা জানলে আজও অবাক হতে হয়

১৯০১ খ্রিস্টাব্দে স্বামী বিবেকানন্দ বেলুড় মঠে দুর্গাপুজো করলেন। শোনা যায় তিনি নাকি বেলুড়ে দুর্গাপুজো হচ্ছে এমনটা স্বপ্ন দেখেন।

  • Share this:

#কলকাতা: মণ্ডপে মণ্ডপে নো এন্ট্রি। করোনা প্রবেশাধিকার কাড়লেও কাড়েনি উৎসাহ। নিউ নর্মালে প্রথা মেনেই চলছে পুজো। আজ মহাষ্টমীতে প্রথা মেনে কুমারীপুজোর সাক্ষী থাকছে বেলুড়মঠও। এই প্রথার শুরু অবশ্য একদিনে নয়। তার বীজ প্রথিত ইতিহাসের অনেক গভীরে।

১৯০১ খ্রিস্টাব্দে স্বামী বিবেকানন্দ বেলুড় মঠে দুর্গাপুজো করলেন। শোনা যায় তিনি নাকি বেলুড়ে দুর্গাপুজো হচ্ছে এমনটা স্বপ্ন দেখেন। নিজেই কুমোরটুলিতে গিয়ে মূর্তি পছন্দ করে আসেন। ষষ্ঠীর দিন সকালে বাগবাজার থেকে শ্রীশ্রীমা তাঁর অন্যান্য ভক্তদের নিয়ে বেলুড়মঠে চলে এলেন। তাঁর থাকবার ব্যবস্থা হয়েছিল নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে। বলা হয় যে সন্ন্যাসীদের কোনও পুজো বা বৈদিক ক্রিয়াকাণ্ডে অধিকার নেই। কেননা তাঁরা সর্বত্যাগী। তাই শ্রীশ্রীমায়ের নামেই পুজোর সংকল্প করা হয়েছিল। আজও বেলুড়মঠের পুজোয় শ্রীশ্রীমায়ের নামেই সংকল্পের প্রথা চালু রয়েছে।

৪ঠা কার্তিক (২১শে অক্টোবর) সোমবার ভোরবেলা সন্ধিপুজোর সময় স্বামীজী মণ্ডপে আসলেন। সেবার মোট নয়জন কুমারীকে প্রথমবারের জন্য পুজো করা হয় বেলুড়মঠে। স্বামীজী সেই সব কুমারী নির্বাচনের ভার অর্পণ করেছিলেন রামকৃষ্ণের মন্ত্রশিষ্যা, সারদেশ্বরী আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা গৌরী মায়ের উপর।

নয়জন কুমারীকে শঙ্খবলয়, রক্তচন্দন, বস্ত্রাদি দিয়ে পুজো করছেন স্বামীজী, এই দৃশ্য ছিল নয়ানাভিরাম। ওই দিন সধবাদের এয়োরানি পুজোও হয় বেলুড়ে। মহানবমীর সন্ধ্যেয় নাকি গলাখুলে ভজন গেয়েছিলেন স্বামীজী। পরের বছরেই মৃত্যু হয় সারদাদেবীর। সে বছর ছেদ পড়লেও আর কখনও বাদ পড়েনি বেলুড়ের দুর্গাপুজো।

Published by: Arka Deb
First published: October 24, 2020, 10:33 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर