• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • HIGH COURT STAY ORDER ON STATE CLAIMING BACK TEACHERS INCREMENT AKD

High Court on Teachers increment| চাকরির ১৫ বছর পর বর্ধিত বেতন ফেরত চাওয়া ! হাইকোর্টে তারপর যা হল...

শিক্ষক শিক্ষিকাদের বর্ধিত বেতন ফেরতে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ।

High Court on Increment| মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলাকারীর বর্ধিত বেতন কাটা যাবেনা, সাফ জানিয়ে দিলো হাইকোর্ট। 

  • Share this:

#কলকাতা: চাকরির ১৫ বছর পর বেতন বৃদ্ধি ফেরত! শুক্রবারের পর কিছুটা স্বস্তিতে ভুক্তভোগী শিক্ষকেরা। পাশাপাশি   হাইকোর্টে ধাক্কা খেল শিক্ষা দফতর। বর্ধিত বেতন (Increment) ফেরত চাওয়ার সিদ্ধান্তে অন্তর্বতী  স্থগিতাদেশ চাপাল হাইকোর্ট শুক্রবার।  শিক্ষা দপ্তরের সিদ্ধান্তের ওপর অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দেন এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ১১ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলাকারীর বর্ধিত বেতন কাটা যাবেনা, সাফ জানিয়ে দিলো হাইকোর্ট।

১৫ বছর পর অনেক শিক্ষক শিক্ষিকাদের ইনক্রিমেন্ট চায় স্কুল শিক্ষা দপ্তর। শতাধিক শিক্ষক শিক্ষিকা হাইকোর্টে মামলা ঠুকে নালিশ করেন। ২০০৪, ২০০৫, ২০০৬ অর্থাৎ ১৫ বছরেরও আগে নিযুক্ত হওয়া শিক্ষকরা মহা ফাঁপড়ে পড়েন শিক্ষা দপ্তরের সিদ্ধান্তে। সময়ের সঙ্গে বেতন বৃদ্ধি হয়েছে শিক্ষক শিক্ষিকাদের। মূল্যবৃদ্ধি অনুপাতে এই বেতন বৃদ্ধি আদতে ইনক্রিমেন্ট। ১৫ বছর ধরে পেয়ে আসা ইনক্রিমেন্ট এখন ফেরত চাইছে স্কুল শিক্ষা দপ্তর। কেন?  নিয়ম ছিলো, চাকরি পাওয়ার ৫ বছরের মধ্যে প্রশিক্ষণ ডিগ্রি করে নেবে শিক্ষকরা। বিভিন্ন আইনি জটিলতায় এই ডিগ্রি আর করা হয়ে ওঠেনি মামলাকারী শিক্ষকদের। প্রাথমিক ভাবে সুপ্রিম কোর্টের এক পর্যবেক্ষণের পর এই প্রশিক্ষণ ডিগ্রি করার সময়ও বাড়ানো হয় বলে দাবি করেছেন হাইকোর্টের মামলাকারীরা।  কিন্তু বর্তমানে সেই অবস্থানে ইউ টার্ন নেওয়ার চরম সমস্যার মুখে কয়েকশো শিক্ষক শিক্ষিকা। এদের বেশিরভাগই নবম, দশম এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির।

আরও পড়ুন-ভয়াবহ আগুন গার্ডেনরিচে, পুড়ে ছাই এফসিআই-এর গুদাম, আতঙ্ক গোটা এলাকায়

মামলাকারীদের আইনজীবী বিক্রম বন্দোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত দাশগুপ্ত জানান, "স্কুল শিক্ষা দপ্তরের স্পষ্ট নির্দেশ নির্দিষ্ট সময়ে প্রশিক্ষণ ডিগ্রি না করায় এই সমস্ত শিক্ষক শিক্ষিকাদের ইনক্রিমেন্ট ফেরত দিতে হবে। আর তা ফেরত না দিলে বেতনের সঙ্গে অন্যান্য সুযোগ সুবিধা থেকে বাদ দিতে বাধ্য হবে স্কুল শিক্ষা দপ্তর।"শিক্ষা দপ্তরের এমন সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শিক্ষক শিক্ষিকারা। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, আবেদনের শুনানির পর শিক্ষা দপ্তরের সিদ্ধান্তে অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ দিয়েছেন  শুক্রবার। আইনজীবী বিক্রম বন্দোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত দাশগুপ্ত আরও জানান, একটি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ দিয়েছে বটে তবে আদালতের নির্দেশ আদতে শিক্ষা দপ্তরের সিদ্ধান্তের ওপর স্থগিতাদেশ।

Published by:Arka Deb
First published: