কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

রাজনৈতিক চাপে রাজ্যে সিআইডি-পুলিশ কোনও সত্য সামনে আনে না: কলকাতা হাইকোর্ট

রাজনৈতিক চাপে রাজ্যে সিআইডি-পুলিশ কোনও সত্য সামনে আনে না: কলকাতা হাইকোর্ট

আইনজীবী নীলাদ্রিশেখর ঘোষ জানান, " কার্যত তিনমাস তদন্তে কিছুই এগোয়নি। নার্সিংহোমে শিশু মারা গেলে সেই শিশুর দেহ কোথায় এই প্রশ্নই তুলেছিলাম আদালতের কাছে।

  • Share this:

#কলকাতা:"রাজনৈতিক চাপে রাজ্যে সিআইডি-পুলিশ কোনও সত্য সামনে আনে না। এখানে রাজনৈতিক শক্তির থেকেও ইনফ্লুয়েন্সিয়াল টাকা" ৷ সোমবার এই তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ মিলল  হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দোপাধ্যায় ডিভিশন বেঞ্চের থেকে। আরামবাগের শিশু নিখোঁজ মামলার শুনানিতে তদন্ত নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেয় আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ ৷

অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তের  উদ্দেশ্য ওই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি সঞ্জীব বন্দোপাধ্যায়।  আরামবাগের শিশু নিখোঁজ মামলায় অগ্নিশর্মা হয়ে ওঠেন এদিন বিচারপতি বন্দ্যোপাধ্যায়। ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সদ্যজাতের দেহ চায় আদালত। চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি কলকাতা হাইকোর্টের।

এদিন শুনানিতে বিচারপতি বলেন,  "এজি আপনি বলছেন, শিশু ব্রিজ থেকে নদীর জলে ছুড়ে ফেলা হয়েছে। কিন্তু বিচারপতিরা(আমি এবং আমার সহ জাজ) ওই নদীর ধারে মাছ ধরছিলাম, আমরা কোনও শিশু ছুঁড়ে ফেলতে দেখেনি।" মন্তব্য করে থেমে না থেকে বিচারপতি জানান,  ৪৮ ঘন্টা সময় দিলাম শিশুর দেহের হদিশ দিক সিআইডি  না হলে সিবিআইকে তদন্তভার দেবো। ৩ সেপ্টেম্বর পুত্রসন্তান জন্ম দেন আরামবাগ নার্সিংহোমে। তারপর থেকে শিশু উধাও।

স্থানীয় থানা অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। আদালতের নির্দেশে এফআইআর হয়। তদন্ত না হওয়ায় হাইকোর্টে  আসে পরিবার। ডিআইজি সিআইডিকে শিশু নিখোঁজের তদন্তভার  দেয় হাইকোর্ট। সিআইডি তদন্তে, শিশুর  হদিশ দিতে না পারার কারণ হিসেবে এজি জানান, নদীর ওপর থেকে শিশু ফেলা দেওয়া হয়েছে। তারপরই ডিভিশন বেঞ্চের ওপরের পর্যবেক্ষণ।আইনজীবী নীলাদ্রিশেখর ঘোষ জানান, " কার্যত তিনমাস তদন্তে কিছুই এগোয়নি। নার্সিংহোমে শিশু মারা গেলে সেই শিশুর দেহ কোথায় এই প্রশ্নই তুলেছিলাম আদালতের কাছে। মা তার সদ্যোজাতকে চায়। আমরা হাইকোর্টের ওপর ভরসা রাখছি।"

Arnab Hazra

Published by: Elina Datta
First published: December 14, 2020, 6:18 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर