corona virus btn
corona virus btn
Loading

চন্দননগর, শ্রীরামপুরে ইন্টারনেট বন্ধ কেন ? রাজ্যের অবস্থান জানতে চাইল হাইকোর্ট

চন্দননগর, শ্রীরামপুরে ইন্টারনেট বন্ধ কেন ? রাজ্যের অবস্থান জানতে চাইল হাইকোর্ট

হুগলিতে ইন্টারনেট বন্ধ, রাজ্যের অবস্থান জানতে চাইল হাইকোর্ট। হুগলি জেলার চন্দননগর, শ্রীরামপুর মহকুমা একাধিক থানা এলাকায় ১২ মে দুপুর আড়াইটে থেকে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ

  • Share this:

#কলকাতা: হুগলিতে ইন্টারনেট বন্ধ,  রাজ্যের অবস্থান জানতে চাইল  হাইকোর্ট। হুগলি জেলার চন্দননগর, শ্রীরামপুর মহকুমা একাধিক থানা এলাকায় ১২ মে দুপুর আড়াইটে থেকে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ। হুগলি জেলাশাসক নির্দেশিকা জারি করে জানান, কিছু দুষ্কৃতী শান্তি শৃঙ্খলা নষ্টের উদ্দেশ্য নিয়ে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই ১৪৪ ধারা জারির পাশাপাশি ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয় হুগলির বেশ কিছু অংশে। আইনজীবী সৌমাভ মুখোপাধ্যায় রাজ্যের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখে জানান, করোনা ও লকডাউন পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট পরিষেবা ছাড়া কার্যত অসহায় মানুষ। অনলাইন শপিং, অনলাইন স্কুল ক্লাস, মামলা মোকদ্দমা কাজ, তথ্যপ্রযুক্তি তালুকের কাজ এবং ওয়ার্ক ফ্রম হোমে-এর কাজ করা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মানুষ।

আইনজীবী সৌমাভ মুখোপাধ্যায়ের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর সেটি জনস্বার্থ মামলার আকারে গ্রহণ করেন প্রধান বিচারপতি টি বি রাধাকৃষ্ণাণ। শুক্রবার জনস্বার্থ মামলাটি শুনানি হয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আইনজীবী সৌমাভ মুখোপাধ্যায় জানান, ‘‘ কিছু নির্দিষ্ট পিন কোড-এর জায়গায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে সরকারি নির্দেশিকায়। বাস্তবে সংশ্লিষ্ট সেই পিন নম্বরের জায়গার থেকে বেশি এলাকাজুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে পুরো বিষয়টি নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করি। "হুগলি জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখতে হল কেন? প্রধান বিচারপতি এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চান রাজ্যের কাছে।

শুনানি চলাকালীন কোনও নির্দিষ্ট উত্তর না পাওয়ায় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ ২৪ ঘন্টার মধ্যে রাজ্যকে অবস্থান জানাতে নির্দেশ দেন। জেলাশাসকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ১৭ মে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার কথা। শনিবার জরুরী ভিত্তিতে সকাল ১১ টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হুগলির ইন্টারনেট সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলাটির শুনানি হবে। রাজ্যের অবস্থান জানার পরই হুগলি জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ নিয়ে মতামত প্রকাশ করতে পারেন রাজ্যের প্রধান বিচারপতি। শনিবার সচরাচর কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানি হয় না। লকডাউন জেরে অতি জরুরী মামলাগুলো শুনানি হচ্ছে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে।

ইন্টারনেট পরিষেবা সংক্রান্ত মামলাটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলেই শনিবার শুনানির জন্য রেখেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

Published by: Rukmini Mazumder
First published: May 16, 2020, 9:55 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर