একটা সিডি, দাম ১.৫ কোটি টাকা! কালীঘাট প্রতারণা মামলায় মুকুলকে রক্ষাকবচ হাইকোর্টের 

একটা সিডি, দাম ১.৫ কোটি টাকা! কালীঘাট প্রতারণা মামলায় মুকুলকে রক্ষাকবচ হাইকোর্টের 

কী এমন আছে সিডিতে যার দাম দেড় কোটি টাকা ?

  • Share this:

# কলকাতা : সরকার ফেলে দেওয়া ১.৫ কোটির সওদা সিডি ! কালীঘাট প্রতারণা মামলায় মুকুলকে রক্ষাকবচ হাইকোর্টের। কালীঘাট থানার প্রতারণা  মামলায় হাইকোর্টে স্বস্তি বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের। এই মামলায় মুকুলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারির মত কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে হাইকোর্ট।  শুধু তাই নয়, মুকুলকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে ৭ দিন আগে পুলিশকে জানাতে হবে বলেও এদিন নির্দেশ জারি করেছেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিশেষ কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাও স্পষ্ট করতে হবে কলকাতা পুলিশকে। ২ মাস পর ২৩ এপ্রিল ফের মামলাটি শুনানির জন্য আসবে। পারতপক্ষে মামলার সারবত্তা নিয়েই এদিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে হাইকোর্ট। কী ভাবে  এমন প্রতারণা মামলায় জড়িয়ে পরলেন মুকুল রায়।

একটা সিডি। আর তাতে আছে কিছু অডিও ভিডিও ক্লিপিংস। যা সামনে এলে নাকি বর্তমান রাজ্য সরকার বিপাকে পড়বে। তাই নয়, রাজ্য সরকার টলমল করবে। অভিযোগ, এমন সিডি নাকি বিজেপি নেতা মুকুল রায় কিনতে চেয়েছিলেন ২কোটি টাকায়। পরে তিনি পিছিয়ে আসেন। তাই এখন একটু ছাড় দিয়ে ১.৫ কোটি টাকায় সিডি বিক্রি করতে চায় তাঁর সংস্থা।

১০ ডিসেম্বর ২০১৮, এমনই বার্তা দিয়ে ফোন আসে একদা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা সুজিত শ্যামের কাছে। দাবি, ওইদিন দুপুর ২টো ৫৩, ২টো ৫৪, ৪টে ৭ এবং ৪টে ১১ মিনিটে মোট চারবার ফোন পান সুজিত।  বিষয়টি গোলমেলে ঠেকতে কালীঘাট থানায় অভিযোগ জানান তিনি। এরপর আলিপুর আদালতের নির্দেশে এফআইআর রুজু করে কালীঘাট থানা।

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ কালীঘাট থানার এফআইআরের অভিযোগ আনা হয় দুজনের নামে। অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি এবং মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে হয় এফআইআর। কালীঘাট থানা তদন্ত শুরু করে। কিছুদিন আগে বার কয়েক মুকুল রায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠায় পুলিশ। গ্রেফতারের আশঙ্কা তৈরি হয় বিজেপি নেতার মনে। প্রতারণার এফআইআর খারিজ চেয়ে হাইকোর্টে মামলা করেন মুকুল রায়।

বুধবার মুকুলের মামলাটির শুনানি হয় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে। সরকারি আইনজীবীর আদালতের কাছে জানান, তদন্তে পুলিশকে সহযোগিতা করছেন না মুকুল রায়। অন্যদিকে মুকুল রায়ের আইনজীবী শুভাশিস দাসগুপ্ত বলেন, "দুই বছর আগের একটি ভিত্তিহীন অভিযোগ। কোন নির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ নেই। হাইকোর্ট আজ মুকুল রায়কে রক্ষাকবচ দিয়েছে"।

কী এমন আছে সিডিতে যার দাম দেড় কোটি টাকা ?  সূত্রের খবর,  বছর খানেক আগে বিজেপি নেতা মুকুল রায় এবং  বিজেপির আরও এক  শীর্ষ নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় কথোপকথনের একটি অডিও টেপ সামনে আসে।  ফোনে আড়িপাতার অভিযোগ নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন মুকুল রায়। সূত্রটির আরও দাবি, কথোপকথনের ওই অংশের মধ্যেই দেড় কোটির সিডি'র চাবি লুকিয়ে রয়েছে। কলকাতা পুলিশও তাই হন্যে হয়ে খুঁজছে ওই সিডির সূত্র। যদিও পুলিশের তদন্তের গতিপ্রকৃতি এদিন সন্তুষ্ট করতে পারেনি আদালতকে।

ARNAB HAZRA

First published: February 12, 2020, 6:37 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर