বড় খবর! ১৫০০০ এর বেশি শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগে সবুজ সংকেত দিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ

বড় খবর! ১৫০০০ এর বেশি শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগে সবুজ সংকেত দিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ

'চলতি মাসের ২ সপ্তাহে যথাযথ মেধা তালিকা প্রকাশ করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সমস্ত অফিসে তালিকা দিতে হবে।’ : ডিভিশন বেঞ্চ

'চলতি মাসের ২ সপ্তাহে যথাযথ মেধা তালিকা প্রকাশ করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সমস্ত অফিসে তালিকা দিতে হবে।’ : ডিভিশন বেঞ্চ

  • Share this:

    #কলকাতা : নির্বাচনের আগে চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুখবর। শিক্ষক নিয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ খারিজ করে দিল| হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ| এর ফলে ১৬৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে কার্যত সায় দিল হাইকোর্ট। এই মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়েছিল সিঙ্গল বেঞ্চ। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিসন বেঞ্চ  তুলে দিল সেই স্থগিতাদেশ। ফলে শর্তসাপেক্ষে ১৫২৮৪ পদে শিক্ষক নিয়োগ করতে পারবে রাজ্য।

    ২২ ফেব্রুয়ারির অন্তর্বর্তী আদেশ খারিজ করে ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, ‘চলতি মাসের ২ সপ্তাহে যথাযথ মেধা তালিকা প্রকাশ করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সমস্ত অফিসে তালিকা দিতে হবে।’

    রেকর্ড সময়ই রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া কার্যত শেষ হলেও আইনি জটিলতায় আটকে পরে নিয়োগ প্রক্রিয়া। গত ২৩ ডিসেম্বর ১৬৫০০ শূন্য পদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। মূলত টেড উত্তীর্ণ এবং যাঁদের প্রশিক্ষণ রয়েছে তাঁরাই এই পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে পর্ষদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল।

    গত জানুয়ারি মাসে সাতদিন ধরে এই শূন্যপদ পূরণের জন্য ইন্টারভিউ প্রক্রিয়াও নেওয়া হয়। ভোটের ঠিক আগেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ বিপুলসংখ্যক শিক্ষক নিয়োগের মেধা তালিকা প্রকাশ করে। তবে সব শূন্যপদের কেন মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়নি সে বিষয়ক বিস্তারিত ব্যাখ্যা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে পর্ষদ।

    সাত বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত স্কুল সার্ভিস কমিশন উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ করতে পারেনি। এই নিয়ে ভোটের মুখে শিক্ষকদের আন্দোলন বেশ অস্বস্থিতে ফেলেছে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে।

    একাধিক আইনি জটিলতার জেরে বারেবারেই উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া থমকে গেছে। যদিও আদালতের নির্দেশে আরও একবার করে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শুরু করে স্কুল সার্ভিস কমিশন উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে।

    এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যে ১৬৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক শূন্য পদে নিয়োগ দ্রুত করা হবে। শুধু তাই নয় টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট বা টেট নেওয়া হবে বলে নবান্ন থেকে ঘোষণা করেছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। গত ৩১ জানুয়ারি টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট ও নেওয়া হয়। তবে টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট এর ফলাফল প্রকাশ ভোটের আগে হওয়ার সম্ভাবনা কার্যত নেই বলেই পর্ষদ সূত্রের খবর।

    আজ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলায় স্থগিতাদেশ খারিজ করে দেওয়ায় শিক্ষক নিয়োগ ইস্যুতে রাজ্য সরকারের অস্বস্থি কাটবে বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published:

    লেটেস্ট খবর