• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • HIGH COURT CRITICIZED ROLE OF CHILD RIGHTS PROTECTION COMMISSION AMID COVID19 AKD

মামলা করছেন,কাজ কই? হাইকোর্টের তোপে শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন

হাইকোর্টে ভর্ৎসিত শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন।

শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনকে বুধবার প্রশ্নবাণে জর্জরিত করল হাইকোর্ট।

  • Share this:

#কলকাতা: হাইকোর্টের তোপে রাজ্যের শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন। কমিশনকে ভর্ৎসনা কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের। শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনকে বুধবার প্রশ্নবাণে জর্জরিত করে হাইকোর্ট। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বজ্ঞানহীন ভূমিকায় রাজ্যে ১২ বছরের নিচের শিশুরা সঙ্কটে। ভোটে টানা ৫৫ দিনের প্রচার করোনা সংক্রমণ বাড়িয়েছে। আক্রান্ত হতে হয়েছে শিশুদের। তাই নির্বাচন কমিশনের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে জনস্বার্থ মামলা ঠোকে রাজ্যের শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন। সেই মামলার শুনানি জন্য আসে বুধবার। শুনানি পর্বে শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের উদ্দেশ্য ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির পরপর প্রশ্নবাণ, "আপনাদের অভিযোগ নির্বাচনের কারণে এই রাজ্যের শিশুরা করোনার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু যেখানে যেখানে ভোট ছিল না সেখানে শিশুদের এই দুরবস্থার কারণ কী ?"

"করোনার এই অতিমারির সময় আপনারা কি কাজ করেছেন রাজ্যের শিশুদের জন্য ? আপনাদের ওয়েবসাইটে তো আপনাদের কাজের কোন প্রতিফলনই দেখা যাচ্ছে না। হঠাৎ করে এই বিষয় নিয়ে আপনারা তৎপর হয়ে উঠলেন কেন ?"

এরপর ডিভিশন বেঞ্চ আরও জানতে চায়, "সুপ্রিম কোর্টে করোনাকালে শিশুদের অবস্থা নিয়ে যে মামলা বিচারাধীন আছে,  সেখানে একমাত্র আপনারা ওয়েবসাইটে কোন কোন শিশু কতটা ক্ষতিগ্রস্ত সেই সংক্রান্ত কোনও তথ্য আপলোড করে নি। তখন কি আপনারা ঘুমোচ্ছিলেন ?"

হাইকোর্টের তীক্ষ্ণ প্রশ্নের সামনে তখন কার্যত দিশেহারা পরিস্থিতি শিশু অধিকার কমিশনের আইনজীবীর। এইসময় নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী কিছু বলতে গেলে, তাঁকে থামিয়ে দিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বিন্দাল জানান, মামলাকারী কমিশন আমাদের প্রশ্নের উত্তর দিন, সেগুলো পাই তারপর নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য জানব।

তবে এদিন মামলার শুনানি অসমাপ্ত রয়ে যায়। নতুন ইংরাজি বছরে বিধানসভা ভোট ঘোষনার আগের ২ মাসে রাজ্যে ৪১৯ জন শিশু করোনা আক্রান্ত হন। ভোট ঘোষণার পর থেকে মামলা দায়েরের আগে পর্যন্ত সেই সংখ্যা পৌঁছেছে ২১০০০ কাছাকাছি। করোনার জন্য শিশুর মৃত্যু, অস্বাভাবিক হওয়া ও অনাথ হওযার জন্য কমিশনের ক্ষতিপূরণ চেয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। তবে এদিন হাইকোর্টের প্রশ্ন তোলাতেই স্পষ্ট শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের আবেদনকে ভালোভাবে নেয়নি আদালত। শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে দেখা যাচ্ছে,  ২০১৮ সালে সর্বশেষ হেয়ারিং হয়েছে। এমন কিছু তথ্যই হয়তো আদালতকে কড়া হতে বাধ্য করেছে। পরবর্তী শুনানিতেই এ বিষয়টি স্পষ্ট হবে আরও।

Published by:Arka Deb
First published: