একদিনে জোড়া উইকেট, পায়েল-শোভন সংবাদে রত্নার মুখে নিয়তির মুচকি হাসি

একদিনে জোড়া উইকেট, পায়েল-শোভন সংবাদে রত্নার মুখে নিয়তির মুচকি হাসি

একই সঙ্গে বিজেপি ছাড়লেন শোভন-বৈশাখী। হাসছেন রত্না।

সব মিলিয়ে হাসি চওড়া হলেও এখনই বেলাগাম প্রতিক্রিয়া দিতে রাজি নন রত্না। তাঁর কথার নির্যাস পিকচার আভি বাকি হ্যাঁয়।

  • Share this:

    #কলকাতা: অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাঁকে। চার দেওয়ালের ঝগড়াটা বাইরে চলে আসায় কার্যত অসহায়ই লেগেছে তাঁকে। শোভন চট্টোপাধ্যায় রাখঢাক না করে প্রকাশ্যে বলেছেন, রত্না চট্টোপাধ্যায় মানসিক ভারসাম্যহীন। এই তো সেদিনও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি প্রার্থী হওয়ার যোগ্য কিনা তাই নিয়ে। সেইসব কাজিয়া-তরজার দিন পেরিয়ে এখন নতুন করে বল রত্নার কোর্টে।  দল আস্থা রেখে প্রার্থী করেছে। অন্য দিকে পছন্দসই কেন্দ্রে টিকিট না বিজেপিই ছাড়তে হয়েছে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। সব মিলিয়ে হাসি চওড়া হলেও এখনই বেলাগাম প্রতিক্রিয়া দিতে রাজি নন রত্না।  তাঁর  কথার নির্যাস পিকচার আভি বাকি হ্যাঁয়।

    শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আজ সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে বিজেপির। সূত্রের খবর শোভন চেয়েছিলেন রত্নার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বেহালা পূর্বের টিকিট, কারণ ছিল একটাই, এই জায়গাটার সঙ্গে নাড়ীর যোগষ। পরিবর্তে দল তাঁকে প্রস্তাব দেয় বেহালা পশ্চিমে লড়তে। শোভন রাজি হননি। শুধু তাইই নয়, দল তাঁর সঙ্গী বৈশাখীকে টিকিট প্রসঙ্গে বিবেচনাতেই আনেনি। এতেও অপমানিত বোধ করে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন শোভন -বৈশাখী দুজনেই। একদা রত্নার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আজ এতদূর যেতে হল শোভনকে! প্রশ্ন করতেই সহাস্য রত্না বললেন,  টিকিট পাননি এরপরে অনেক নাটক বাকি আছে। ওদের অনুরোধ করা হবে হয়তো ওই দল থেকেই। এখনও অন্তিম প্রতিক্রিয়া দেওয়ার জন্য  অপেক্ষা করতে হবে।

    প্রসঙ্গত তাঁর বিরুদ্ধে পদ্মশিবির প্রার্থী করেছে পায়েল সরকারকে। অভিনেত্রী পায়েল সরকার রাজনীতিতে নবাগতা। পায়েল নিজেও স্বীকার করছেন লড়াই  কঠিন।‌ দীর্ঘদিন লড়াইয়ের ময়দানে থাকা  রত্না কিন্তু পায়েলকে হালকা ভাবে নিতে রাজি নন। তবে যুক্তি সাজাচ্ছেন ঠাণ্ডা মাথায়। তাঁর কথায়, " পায়েল অন্য প্রফেশনে রয়েছেন। আমি ২৪ ঘণ্টা রাজনীতি করা মানুষ। আমি বেহালা পূর্বের মানুষের  পাশে থাকব। বাচ্চা মানুষ করে দিয়েছি। এখন এটাই আমার একমাত্র ধ্যানজ্ঞান। পায়েলের শ্যুটিং থাকবে, আউটডোর থাকবে। ও কতটা মানুষের পাশে থাকতে পারবে সেটা ওই বলতে পারবে। আমার বক্তব্য,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের যাত্রা যেন সাধারণ মানুষ বন্ধ হতে না দেন।"

    শেষ হাসি তিনি হাসতে পারবেন কিনা তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে অন্তত ৪৯ দিন। কিন্তু আপাতত,আজ বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় রত্না যে হাসিটা হাসছেন, সাহিত্যিকরা তাকে বলেন নিয়তির মুচকি হাসি।

    Published by:Arka Deb
    First published:

    লেটেস্ট খবর