ডিএ পুনর্বিবেচনা মামলার শুনানি শেষ, মহার্ঘ্যভাতা মিলবে কবে? 

ডিএ পুনর্বিবেচনা মামলার শুনানি শেষ, মহার্ঘ্যভাতা মিলবে কবে? 

রাজ্যের প্রায় ১০ লক্ষ সরকারি এবং সরকারি পোষিত কর্মচারী। তাঁদের নতুন ক্রমে বেতন দিতে জানুয়ারি মাসে ৩ বার বাজার থেকে ধার করতে হয়েছে ৷

  • Share this:

ARNAB HAZRA

#কলকাতা: ডিএ রায় পুনর্বিবেচনার মামলার শুনানি শেষ হল মঙ্গলবার। রাজ্যের পুনর্বিবেচনার আবেদনের ওপর কয়েকমাস চলে শুনানি। তবে ডিএ পুনর্বিবেচনার আবেদনে আপাতত রায়দান স্থগিত রাখলো স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল বা স্যাট। এদিন রাজ্যের অ্যডভোকেট জেনারেলের সওয়াল শেষ হতেই শুনানি পর্বে ইতি টেনে দেয় বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগের বেঞ্চ। রাজ্যের আবেদন মঞ্জুর হলে আবারও নতুন করে শুরু হবে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘভাতা মামলা।

অ্যাডভোকেট জেনারেলের যুক্তি ছিল, একাধিক শীর্ষ আদালতের রায় ডিএ মামলায় দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও স্যাট তা বিবেচনায় আনেনি। ওই রায় গুলি বিবেচনায় আনলেই ডিএ মামলার মোড় ঘুরে যাবে। সরকারি কর্মচারী সংগঠনের তরফে মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, "রায় রাজ্যের বিরুদ্ধে যাবে। আমাদের জয় সময়ের অপেক্ষা।" আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানান, "রাজ্য কার্যত স্যাট-এর বিচার নিয়ে ছেলেখেলা করছে। ভাল বিজ্ঞাপন নয় বিষয়টি।"

স্যাট-হাইকোর্ট-স্যাট। গত ২-৩ বছর ধরে আইনি লড়াই লেগেই আছে। ডিএ চুকিয়ে দেওয়ায় রায় ঘোষণার পরও মামলার জট অব্যহত।  স্যাট বা স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন নিয়ে গিয়েছে রাজ্য। রিভিউ পিটিশনে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ না দেওয়ার কারণ হিসেবে অ্যাডভোকেট জেনারেলের যুক্তি ছিল, রাজ্যের আর্থিক অনটন। টানাটানির আর্থিক হাল সামলে রাজ্য ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনে নতুন বেতন দিয়েছে জানুয়ারি থেকে। রাজ্যের প্রায় ১০ লক্ষ সরকারি এবং সরকারি পোষিত কর্মচারী।  তাঁদের নতুন ক্রমে বেতন দিতে জানুয়ারি মাসে ৩ বার বাজার থেকে ধার করতে হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর।

২০১৯ সালের হিসেব বলছে রাজ্যের এই মূহুর্তে আর্থিক দেনা প্রায় ৩.৯৬ লক্ষ কোটি টাকা। কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের পাওনা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। রাজ্যের প্রাপ্য টাকা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সরকারি কর্মচারী সংগঠনের মলয় মুখোপাধ্যায়ের আরও বক্তব্য, রাজ্যের সর্বত্র বড় বড় হোর্ডিং। আর্থিক অনটন হলে এত হোর্ডিং আসে কোথা থেকে?

First published: March 3, 2020, 7:01 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर