যাদবপুরের সমাবর্তনে সম্মান প্রাপকদের বাছাই নিয়ে প্রশ্ন, শেষমেশ সম্মতি রাজ্যপালের

যাদবপুরের সমাবর্তনে সম্মান প্রাপকদের বাছাই নিয়ে প্রশ্ন, শেষমেশ সম্মতি রাজ্যপালের
যাদবপুরের কোর্টের বৈঠকেও রাজ্যপাল

রাজ্যপাল কারও নাম না করেই প্রশ্ন তোলেন। শেষমেশ অবশ্য এগজিকিটিভ কাউন্সিলের বেছে নেওয়া চারজনের নামেই সম্মতি দেন

  • Share this:

#যাদবপুর: বেনজিরভাবে যাদবপুরের কোর্টের বৈঠকে রাজ্যপাল। ডিএসসি-ডিলিট প্রাপকদের নামের তালিকায় সম্মতি দিলেন। কিন্তু, নাম বেছে নেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্নও তুললেন।

কোনও রাজ্যপাল যা কোনও দিন করেননি, শুক্রবার তাই করলেন জগদীপ ধনখড়। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের বৈঠকে উপস্থিত হলেন রাজ্যপাল তথা আচার্য। এই বৈঠকেই আসন্ন সমাবর্তনে সাম্মানিক ডিএসসি এবং ডিলিট প্রাপকদের নাম চূড়ান্ত হওয়ার কথা ছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী, কোর্টের চেয়ারম্যান হিসেবে এই বৈঠকে রাজ্যপাল যেতেই পারেন। কিন্তু, প্রচলিত রীতি হচ্ছে, কোনও রাজ্যপালই কোর্টের বৈঠকে যান না। কোর্টের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য একমত হলে রাজ্যপাল তাই অনুমোদন করেন।

কিন্তু, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় যাদবপুরের কোর্টের বৈঠকে গেলেন। এ বার কবি শঙ্খ ঘোষ ও প্রাক্তন বিদেশসচিব সলমন হায়দারকে সাম্মানিক ডিলিট এবং আইএসআই-এর অধিকর্তা সংঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজ্ঞানী সিএনআর রাওকে সাম্মানিক ডিএসসি ডিগ্রি দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য কোর্টের কাছে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন- রাজ্যপালের নিরাপত্তা নিয়ে আইনি জটিলতা, পুলিশ রেগুলেশন অমান্য করে সিদ্ধান্ত

এই নাম বেছে নেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে কোর্টের বৈঠকে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যপাল। তবে, কারও নাম করেননি। সূত্রের খবর, কোর্টের বৈঠকে উপস্থিত কয়েকজন জানতে চান, সলমন হায়দরকে নিয়ে তাঁর আপত্তি কি না। কিন্তু, রাজ্যপাল কারও নাম না করেই প্রশ্ন তোলেন। শেষমেশ অবশ্য এগজিকিটিভ কাউন্সিলের বেছে নেওয়া চারজনের নামেই সম্মতি দেন।

১৯ সেপ্টেম্বর বাবুল সুপ্রিয় যাদবপুরে গিয়ে ছাত্র-বিক্ষোভের মুখে পড়েন। সেদিন রাজ্যপাল গিয়েই তাঁকে উদ্ধার করেন। এ দিন কোর্টের বৈঠকেও সেই প্রসঙ্গ ওঠে। রাজ্যপাল ব্যাখ্যা করেন, কোন পরিস্থিতিতে তিনি সেদিন ক্যাম্পাসে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন। এও বুঝিয়ে দেন, প্রয়োজনে তিনি ফের যাদবপুরে আসবেন। এ দিন ছাত্রদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন রাজ্যপাল। তাঁদের একাধিক দাবিদাওয়ার কথা শোনেন। পড়ুয়াদের বলেন, রাজভবনে গিয়ে তাঁদের দাবির কথা জানাতে।

First published: October 19, 2019, 9:48 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर