‘গণভোটের দাবি অসাংবিধানিক’, মমতার দাবির বিরুদ্ধে ট্যুইট রাজ্যপালের

‘গণভোটের দাবি অসাংবিধানিক’, মমতার দাবির বিরুদ্ধে ট্যুইট রাজ্যপালের
Photo Courtesy: PTI

CAA ও NRC নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতার গণভোটের দাবিকে অসাংবিধানিক বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার ৷

  • Share this:

#কলকাতা: CAA ও NRC নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতার গণভোটের দাবিকে অসাংবিধানিক বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার ৷ ট্যুইট করে রীতিমতো মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে সমালোচনা করলেন রাজ্যপাল ৷

ট্যুইটে ধনকার লিখলেন, ‘গণভোটের দাবি অসাংবিধানিক ৷ মুখ্যমন্ত্রীর আন্দোলন গ্রহণযোগ্য নয় ৷ CAA দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়৷ বাইরের হস্তক্ষেপ কাম্য নয় ৷ মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবি অসাংবিধানিক ৷ মুখ্যমন্ত্রী এই দাবি প্রত্যাহার করুন ৷ সংবিধানের শপথ নিয়ে এটা করা যায় না ৷ কোনও দেশপ্রেমিক এই দাবি মানেন না ৷ আশা করি মুখ্যমন্ত্রী এই দাবি প্রত্যাহার করবেন ৷ ’

রাষ্ট্রসঙ্ঘের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে স্বীকৃত সিদ্ধান্তকেই এবার হাতিয়ার করছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতা করতে গিয়ে এবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নজরদারিতে গণভোটের দাবি করেছেন মমতা।

তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই দাবির কি কোন বাস্তব ভিত্তি আছে? নাকি নেহাতই আবেগতাড়িত। এ দেশে একমাত্র কাশ্মীর ইস্যুতে রাষ্ট্র সংঘের তত্ত্বাবধানে ভোটের প্রসঙ্গ এসেছিল। সেক্ষেত্রে মমতার এই দাবি অভিনব। রাষ্ট্র বিজ্ঞানীদের দাবি, অমূলক কিছু বলছেন না মমতা। রাষ্ট্রসঙ্ঘে ১৯৬৭ এবং ১৯৭৬ সালের দুটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে শরণার্থী প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া যাবে না এই মর্মে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে রাষ্ট্রসঙ্ঘের international covonent on echonomic political social n cultural right 1976-এ এই একই সুর ধ্বনিত হয় এবং এই সিদ্ধান্তে স্বাক্ষর করে ভারতও। এই সিদ্ধান্তকেই হাতিয়ার করতে চাইছেন মমতা। এমনি মত রাজনৈতিক মহলের।

ধর্ম পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব কেন ? এই নিয়ে আগেই আওয়াজ তুলেছে টিএমসি। সংবিধানের মূল সুর বিরোধী বলেও আখ্যা দিয়েছে। এবার নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় এবার রাষ্ট্র সংঘের আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত কেই হাতিয়ার করতে চাইছেন মমতা? তার নতুন ঘোষণায় উঠছে প্রশ্ন।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন এর বিরুদ্ধে আক্রমণের সুর আরও চড়া করে এবার এই ইস্যুতে গণ ভোট দাবি করলেন মমতা। রাষ্ট্রসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে গণভোটের দাবি মমতার। রানী রাসমনি রোডের ছাত্র যুব সমাবেশে এদিন এমনটাই দাবি তোলেন টিএমসি সুপ্রিমো। নাগরিকত্ব আইনের আগাগোড়া বিরোধিতা করে একের পর এক প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দিয়েছেন মমতা। আগামী ২৫ শে ডিসেম্বর বাদে প্রতিদিনই নানা ধরনের প্রতিবাদ সমাবেশ রয়েছে TMC-র। ছাত্র যুব, মহিলা, বুদ্ধিজীবী, শ্রমিক ফ্রন্ট-র ব্যানারে এই কর্মসূচী চালাবে টিএমসি। জানুয়ারি মাসে রয়েছে টিএমসির প্রতিষ্ঠা দিবস সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ন দিন। ওইগুলিকে কেন্দ্র করেও নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় কোমর বাধছে টিএমসি। এরই মধ্যে গণভোটের দাবি তুলে প্রতিবাদের সুর আরো চড়ালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

First published: 09:11:19 AM Dec 20, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर