বাইক ট্যাক্সি নিয়ে নয়া নিয়ম আনছে রাজ্য সরকার     

বাইক ট্যাক্সি নিয়ে নয়া নিয়ম আনছে রাজ্য সরকার     

ই-কমার্সের কাজের জন্য আজকাল সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় এই বাইক। এছাড়া ব্যবহার হচ্ছে যাত্রী পরিবহণের জন্য।      

  • Share this:

#কলকাতা: কিনেছিল ব্যক্তিগত কাজে। যদিও ব্যবহার করা হচ্ছে ব্যবসায়িক কাজে। গত দেড় বছর ধরে এই সব কিছু নজরে আসতে শুরু করেছিল রাজ্য সরকার। অবশেষে ব্যক্তিগত বাইকের, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করায় রাশ টানতে চাইছে রাজ্য সরকার। তাই চালু করা হচ্ছে  বাইক ট্যাক্সির জন্য নয়া নিয়ম। বদলাচ্ছে বাইক ট্যাক্সির কর কাঠামো। রেস্টুরেন্ট থেকে বাড়িতে পছন্দের খাবার সরবরাহ।

ই-কমার্সের কাজের জন্য আজকাল সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় এই বাইক। এছাড়া ব্যবহার হচ্ছে যাত্রী পরিবহণের জন্য। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অ্যাপ নির্ভর বাইক ট্যাক্সি ছুটে বেড়াচ্ছে। আর এর সমস্ত কিছুই ব্যক্তিগত দ্বিচক্র যান হিসাবে  বাইক রেজিষ্ট্রেশন করে। বাণিজ্যিক কাজে হচ্ছে ব্যবহার, ব্যক্তিগত জিনিষ। যদিও এর জন্য রাজ্য সরকারকে যে কর দেওয়া উচিত তা দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। অনেক ক্ষেত্রেই অভিযোগ, কর বাবদ যে টাকা নেওয়া হয় তা অনেকের পক্ষেই মেনে নেওয়া বা দেওয়া সম্ভব হচ্ছিলনা। বিশেষ করে অনেকেই যারা অর্থনৈতিক দিক থেকে সচল নয় তাদের পক্ষে মুশকিল হয়ে পড়ছিল। তাই রাজ্য সরকার এবার  বিশেষ সুবিধা আনল এই সমস্ত বাইক ব্যবহারকারীদের জন্য।

বাইক ট্যাক্সি হিসাবে গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন করাতে গেলে আগে দিতে হত ৫০০ টাকা। এককালীন এই টাকা দেওয়া হত অ্যাপ্লিকেশন ফিজ হিসাবে। সেই টাকা এবার নেওয়া হবে মাত্র ১০০। রাজ্য সরকার মনে করছে এতে অনেকের সুবিধা হবে। অন্যদিকে, এই সমস্ত বাইক যদি ট্যাক্সির মত করে পাশাপাশি ৫ জেলায় চলতে শুরু করে তাদের পারমিট ফি বাবদ জমা দিতে হত ২৫০০ টাকা। এবার কমিয়ে আনা হচ্ছে সেই টাকাও। এখন মাত্র ১০০০ টাকা দিলেই সেই পারমিট ফি গ্রান্ট হবে।

অন্যদিকে গোটা রাজ্যে যদি এই বাইক ট্যাক্সি চালাতে হয় তাহলে পারমিট ফি বাবদ দিতে হত ১০০০০ টাকা। এখন মাত্র ২০০০ টাকা দিলেই মিলবে গোটা রাজ্যে বাণিজ্যিক গাড়ির জন্য বাইক চালানোর অনুমতি। এক ধাক্কায় কমিয়ে দেওয়া হল সিগনেচার ফিজ। পুরনো নিয়মে বাণিজ্যিক গাড়ি চালাতে গেলে নুন্যতম কর দিতে হত প্রায় ৮০০০ টাকা। এখন থেকে সেই টাকা কমিয়ে করা হল মাত্র ৭৮০ টাকা। এছাড়া তুলে নেওয়া হল কাউন্টার সিগনেচার ফিজ। রাজ্য সরকার মনে করছে এর ফলে যারা বেশি টাকার জন্য বাইকে বাণিজ্যিক রেজিষ্ট্রেশন করাতে রাজি হত না, তারা এবার রেজিষ্ট্রেশন করাবে। এর ফলে একদিকে কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা কমবে। তেমনি রেজিষ্ট্রেশন করানোর ফলে একসঙ্গে অনেকগুলি টাকায় কোষাগার ভরবে রাজ্য সরকারের।

Abir Ghosal

First published: February 8, 2020, 3:13 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर