যত দিন যাচ্ছে ততই দাম বাড়ছে! সঙ্কট মোকাবিলায় রেশনে পেঁয়াজ বিক্রির পরিকল্পনা রাজ্যের

যত দিন যাচ্ছে ততই দাম বাড়ছে! সঙ্কট মোকাবিলায় রেশনে পেঁয়াজ বিক্রির পরিকল্পনা রাজ্যের

পাইকারি ও খুচরো ব্যবসায়ীদের কাছে মজুদ রাখা পেঁয়াজের পরিমান কমিয়ে সর্বোচচ ২৫ মেট্রিক টন করা হল। আগে এই উর্ধ্বসীমা ছিল ৫০ মেট্রিক টন ।

  • Share this:

Venkateswar  Lahiri

#কলকাতা: ডিসেম্বরের শুরুতেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে পেঁয়াজ। এ সপ্তাহে কি এবার ১৫০? বাজারে তেমনই আশঙ্কা। সঙ্কট মোকাবিলায় এবার বেশ কিছু কড়া দাওয়াই কেন্দ্রের। পেঁয়াজের কালোবাজারি বন্ধ করতে পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। পাইকারি ও খুচরো ব্যবসায়ীদের পেঁয়াজ মজুতের পরিমাণ কমানো হল।

এছাড়া তুলে দেওয়া হল ভিন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানীর উর্ধ্বসীমা।পিয়াজের ঝাঁঝে চোখে জল। পেঁয়াজের দামেও এখন চোখে জল। যত দিন যাচ্ছে ততই দাম বাড়ছে।

পাইকারি ও খুচরো ব্যবসায়ীদের কাছে মজুদ রাখা পেঁয়াজের পরিমান কমিয়ে সর্বোচচ ২৫ মেট্রিক টন করা হল। আগে এই উর্ধ্বসীমা ছিল ৫০ মেট্রিক টন ।

কলকাতা সহ দেশের বিভিন্ন শহরে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ দফায় দফায় তল্লাশি চালাবে। নিয়মের বাইরে কেউ বেশি পেঁয়াজ মজুদ করলে তার ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

বাজারে এসে হাত পুড়ছে ক্রেতার। এখনও বেলাগাম পেঁয়াজের দাম। শহরের খুচরো দোকানগুলিতে কেজি প্রতি ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। গত সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ১০০ টাকা ছুঁয়েছিল। তারপর থেকে ক্রমাগত বেড়েই চলেছে পেঁয়াজের দাম ৷

রেশন দোকানের মাধ্যমে মাথাপিছু এক কেজি পেঁয়াজ বিক্রির পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই পরিমাণ কী হবে, তা নির্ভর করছে জোগানের উপর। দেশজুড়ে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে ১.২ লক্ষ টন পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। প্রথম দফায় মিশর ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা এমএমটিসি।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষি বিপণন দপ্তর সূত্রে খবর, আগামী ১২ ডিসেম্বর সেই পেঁয়াজ মুম্বই হয়ে কলকাতা পৌঁছনোর কথা। তার পর রেশন দোকান, সমবায় সমিতি এবং সুফল বাংলার বিপণির মাধ্যমে তা বিক্রি শুরু হবে। তবে এরপরও আমজনতার কোন সুরাহা হয় কিনা তার উত্তর দেবে সময়ই।

ইতোমধ্যেই ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে রাজ্য। খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানান, প্রথম ধাপে কলকাতার ৯৮৪টি রেশন দোকানের মাধ্যমে তা বিক্রি হবে। প্রতিটি রেশন দোকানকে দেওয়া হবে ৫ ক্যুইন্টাল। এ জন্য প্রয়োজন হবে ৫০০ টন পিঁয়াজ। রেশন দোকান থেকে মিলবে কতটা? কৃষি বিপণন দফতরের বক্তব্য, সুফল বাংলার মাধ্যমে মাথাপিছু ১ কেজি করে পিঁয়াজ দেওয়া হয়। চাহিদা খুব বেড়ে গেলে তা কমিয়ে প্রত্যেকের জন্য ৫০০ গ্রাম করা হয়। এক আধিকারিক বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে আমরা ১ কেজি করে পেঁয়াজ দিতে চাইব। যদিও তা নির্ভর করবে চাহিদা এবং জোগানের উপর।’

First published: 09:47:38 AM Dec 04, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर