Google Public Alert: বাজ পড়ে মৃত্যু, অথচ বাঁচিয়ে দিতে পারে গুগল অ্যালার্ট! কীভাবে?

কীভাবে বাঁচবেন?

Google Public Alert: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা , ইংল্যান্ড, জার্মানি, কলম্বিয়া, জাপান, তাইওয়ান, ইন্দোনেশিয়া ও মেক্সিকো সহ ১১ টি দেশে গুগল বিনামূল্যে এই ফিচার শুরু করে।

  • Share this:

কলকাতা: সামান্য কয়েক ঘন্টার ব্যবধান, আকাশে কিউমুলোনিম্বাস বজ্রগর্ভ মেঘের আগমন আর তারই মাশুল স্বরূপ দিতে হল ৩২ টি প্রাণ। তবে এই ঘটনা গত সপ্তাহে প্রথম নয় , বিগত কয়েক বছর ধরেই এই রাজ্য তথা শহর কলকাতা এহেন ঘটনার সাক্ষী থেকেছে । অথচ স্মার্টফোনের যুগে এই ঘটনা থেকে নিজেদের বাঁচানো সম্ভব। কী করে ? সেই নিয়েই আজ আমরা কথা বলছিলাম শ্রীরামপুরের গুগল লোকাল গাইড শৌনক দাসের সাথে। যিনি বেশ কয়েকবার গুগল হেডকোয়ার্টারে আমন্ত্রিত হয়ে গিয়ে এই নিয়ে কার্যকলাপ দেখেছেন।

২০১৪  সালের ৩ জুন গুগল তাদের একটি অনলাইন অ্যালার্ট  সার্ভিস শুরু করে। যার নাম দেওয়া হয় "গুগল পাবলিক অ্যালার্ট '।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া,  কানাডা , ইংল্যান্ড, জার্মানি, কলম্বিয়া, জাপান, তাইওয়ান, ইন্দোনেশিয়া ও  মেক্সিকো সহ  ১১ টি দেশে গুগল বিনামূল্যে এই ফিচার শুরু করে। যেখানে ঝড়, বন্যা  ও ভূমিকম্পের মতো পরিস্থিতি হলে অগ্রিম মানুষকে জানিয়ে দেওয়া যাবে। দুৰ্ভাগ্যবশত সেই তালিকায় ছিল না ভারত।

দেখা গেছে আমেরিকায় সব স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় "Google public alert service"-এর আওতার মধ্যে পড়ে, সেখানে হটাৎ করে কিছু জায়গায় বাজ পড়লেই ফোনে কিংবা  ইমেইলে অ্যালার্ট  চলে আসে। তবে গুগল ছাড়া বেশ কিছু প্রাইভেট অ্যাপ  প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে,  যেখানে Lightning Alert  লিখে সার্চ করলে সহজেই কিছু app  পাওয়া যাবে। Spark, EarthNetworks.com, LightningMaps.org , Blitzortung Lightning Monitor  -- এরকম বেশ কয়েকটি app এর উদাহরণ । উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিকাল মেটিরিওলজি "দামিনী" নাম একটি অ্যাপ বের করে যার সাহায্যে ভারতের কোথাও বজ্রপাতের ঠিক ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট আগেই অ্যালার্ট  পাঠিয়ে মানুষকে সতর্ক করে দেওয়া যাবে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে আজ অনেকেরই হাতে স্মার্ট ফোন। তাই বলা বাহুল্য এরকম বাজ পড়ার অ্যালার্ট যুক্ত  অ্যাপ থাকলে সহজেই তা কিছু প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম হবে আগাম সতর্কতা পাঠিয়ে। শৌনক বলছিলেন, এই রাজ্যের মানুষজন যাতে সহজেই এরকম অ্যাপ ব্যবহার করতে থাকেন সেই বিষয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে আবহাওয়া দফতরের সাহায্যে ঘরোয়া কিছু অ্যাপ তৈরি করা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।

Published by:Suman Biswas
First published: