• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ভারতী ঘোষের লকারে সিআইডি তল্লাশি, মিলল ১১০০ গ্রাম সোনা

ভারতী ঘোষের লকারে সিআইডি তল্লাশি, মিলল ১১০০ গ্রাম সোনা

নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব চিত্র

দাবি করেছিলেন পৈতৃক সূত্রে সোনা পেয়েছেন। বিয়ের সময় পাওয়া এই সোনার হিসেব ১৯৯৪ সালের। কিন্তু ভারতী ঘোষের দুটি লকার খুলতেই মিলল এগারোশো গ্রাম সোনা।

  • Share this:

    #কলকাতা: দাবি করেছিলেন পৈতৃক সূত্রে সোনা পেয়েছেন। বিয়ের সময় পাওয়া এই সোনার হিসেব ১৯৯৪ সালের। কিন্তু ভারতী ঘোষের দুটি লকার খুলতেই মিলল এগারোশো গ্রাম সোনা। যার মধ্যে অনেকটাই আবার হলমার্কযুক্ত। অর্থাত হাল আমলে কেনা। তিরিশ লক্ষ টাকার এই গয়না কোথা থেকে এল? তা নিয়ে শুরু হয়েছে খোঁজ।

    প্রতারণা মামলার ভারতী ঘোষের লকারে টানা তল্লাশি। আদালতের অনুমতি মেলার পর ভারতীয় স্বামী এমএভি রাজুকে নিয়ে সার্দার্ন অ্যাভেনিউয়ের ব্যাঙ্কে যান সিআইডি অফিসাররা। দুটি লকারে শুরু হয় তল্লাশি।

    লকার নম্বর এএ ০৪৯ এফএ ০৫৫

    উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত হল এগারোশো গ্রাম সোনা। বাজারে যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। আর এই সোনা নিয়েই শুরু হয়েছে নয়া ধন্দ।

    ভারতী এমন দাবি করলেও সিআইডি সূত্রে খবর এই সোনার বেশকিছুটা অংশে হলমার্ক মিলেছে। অর্থাত ১৯৯৪ সালের অনেক পরে এই সোনা কেনা বা সংগ্রহ করা।

    মঙ্গলবার ভারতীর স্বামী এমএভি রাজুকে ভবানী ভবনে টানা জেরা করে সিআইডি। তার বয়ানও রেকর্ড করা হয়। এর আগে রাজুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন রাজু। হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়েই এদিন ভবানীভবনে আসেন ভারতীর স্বামী। তবে সিআইডির প্রশ্নের মুখে বারবারই অস্বস্তিতে পড়তে হয় তাঁকে।

    কীভাবে তাদের কাছে এত সম্পত্তি? রাজ্যে বা রাজ্যের বাইরে আর কোনও সম্পত্তি আছে কি? মাদুরদহের ফ্ল্যাটে রাখা টাকার উৎস কী? অন্যের ফ্ল্যাটে টাকা রাখা নিয়ে তাঁর কী বক্তব্য?

    কেয়ারটেকার রাজমঙ্গল সিং সহ কয়েকজন পুলিশকর্মীকে কী টাকা বা সোনা রাখার কাজে লাগানো হত? মাদুরদহের ফ্ল্যাটে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি কেন রাখা ছিল? সরকারকে দেওয়া তথ্যে তার উল্লেখ নেই কেন?

    সিআইডি সূত্রে খবর, অধিকাংশ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গিয়েছেন রাজু। ফের তাঁকে তলব করতে পারে সিআইডি।

    First published: