সোনার বাটে লেখা প্রস্তুতকারীর নাম গলিয়ে লেনদেন হচ্ছে লক্ষ লক্ষ মার্কিন ডলারে! 

সোনার বাটে লেখা প্রস্তুতকারীর নাম গলিয়ে লেনদেন হচ্ছে লক্ষ লক্ষ মার্কিন ডলারে! 
সোনার বার

বুধবার কেন্দ্রীয় শুল্ক দফতর কাস্টমসের গোয়েন্দাদের জালে ধরা পড়ে ছয়টি সোনার বাট ও চল্লিশ হাজার মার্কিন ডলার। বনগাঁর বাংলাদেশ সীমান্?

  • Share this:

সোনা গলিয়ে প্রস্তুতকারীর নাম না রেখে গোয়েন্দাদের ধোঁকা দেওয়া নতুন নয়। বিভিন্ন সময় গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উদ্ধার হওয়া সোনার খোদাই করা প্রস্তুতকারীর নাম না রেখে অনেকবারই ধোকা খেয়েছেন গোয়েন্দারা।

এবার সেই সোনা উদ্ধার করার পরে আরও তল্লাশিতে মিলল ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। কেন্দ্রীয় শুল্ক দফতর কাস্টমসের (পিএনআই) শাখার গোয়েন্দারা বুধবার বনগাঁর বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এক বাসিন্দাকে আটক করে চলে তল্লাশি। তার কাছে লুকিয়ে থাকা ছয়টি সোনার বাট উদ্ধার হয়, যার প্রতিটির ওজন একশো গ্রাম ও বাজারমূল্য প্রায় আঠাশ লক্ষ টাকা।

গোয়েন্দারা দেখেন সোনার বারে লেখা মার্ক নেই, সাধারণত এত মার্ক থাকে সোনার বারের উপরে। ধৃতকে জেরা করে জানা যায় মার্ক তুলে দিয়ে তার উৎস জানতে পাওয়ায় সমস্যা হবে, তাই এইভাবেই পাচার করা হয়। সোনার সহ ধৃত ব্যাক্তিকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করে সন্ধান পেলে অন্য একজনের।  তার কাছে জানা যায় সে সোনা বাহক বা কেরিয়ার মারফত সোনা পাঠায় কলকাতায়।  বিক্রি হয় সোনা, যারা কেনেন  তাদের কম হয় প্রতি কিলোগ্রামে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা। আইনি পথে অনেক কাড়াকাড়ি ও বাড়তি খরচ থেকে রেহাই পেতেই বে-আইনি পথ বেছে নেন সোনার কারবারিরা।

জানা যায় সোনার দাম ডলারে নিচ্ছে।  নিউ মার্কেট এলাকার কয়েকজন বিদেশি মুদ্রার ব্যাবসায়ীদের মাধ্যমে ওই ডলার পৌঁছে যায় সোনা বিক্রেতার কাছে। উদ্ধার হওয়া চল্লিশ হাজার মার্কিন ডলার সদর স্ট্রীটের একটি বিদেশি মুদ্রা ব্যাবসায়ীর কাছ থেকে পাওয়া যায়। সোনার দাম ডলারে মেটানোর পদ্ধতি অনেকটাই নতুন বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা।

First published: January 16, 2020, 8:41 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर