corona virus btn
corona virus btn
Loading

সরছেন কি প্রিন্সিপ্যাল, আজ জানাবে জিডি বিড়লা স্কুল

সরছেন কি প্রিন্সিপ্যাল, আজ জানাবে জিডি বিড়লা স্কুল
জিডি বিড়লা

ডেডলাইন আজ বিকেল পাঁচটা। প্রিন্সিপালকে পদ থেকে সরানো হবে কি না জানাতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে আজ বিকেল পর্যন্ত সময় দিলেন অভিভাবকরা।

  • Share this:

 #কলকাতা: ডেডলাইন আজ বিকেল পাঁচটা। প্রিন্সিপালকে পদ থেকে সরানো হবে কি না জানাতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে আজ বিকেল পর্যন্ত সময় দিলেন অভিভাবকরা। মঙ্গলবার তিন ঘণ্টার বৈঠকে প্রথম থেকেই প্রিন্সিপালের গ্রেফতারি ও তাঁকে বরখাস্তের দাবিতে অনড় ছিলেন অভিভাবকরা। চলে রীতিমত দর কষাকষি। আজ পাঁচটটায় ফের বৈঠক। ওই বৈঠকেই জানানো হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠককে ঘিরে অভিভাবকদের মতানৈক্যও ক্রমশ প্রকাশ্যে আসছে।

জিডি বিড়লার অধ্যক্ষ শর্মিলা নাগকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। তাঁকে প্রিন্সিপালের পদ থেকে বরখাস্ত করতে হবে। স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তিন ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকে এই দুটি দাবিতেই সরব ছিলেন অভিভাবকরা। বুধবার বিকেল পর্যন্ত সময় চেয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। বুধবার বিকেল পাঁচটায় ফের বৈঠক ডাকা হয়েছে।

অধ্যক্ষকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্তের পরই হবে বাকি আলোচনা। দাবি অভিভাবকদের। লালবাজারে এদিন দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয় অধ্যক্ষকে। তাঁর গ্রেফতারির বিষয়ে আশাবাদী অভিভাবকরা। এদিনের বৈঠকে স্কুল খোলার বিষয়েও আলোচনা হয়।

চারবছরের শিশুর যৌন নির্যাতনের ঘটনায় টানা বিক্ষোভ, আন্দোলনে উত্তাল জিডি বিড়লা। প্রিন্সিপাল গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত বৈঠকের প্রশ্ন নেই বলে প্রথম থেকেই অনড় নির্যাতিতার বাবা। মঙ্গলবার সকালে স্কুলের সামনে বৈঠকে বসেন অভিভাবকরা। সেখানে প্রিন্সিপালের গ্রেফতারের সময়সীমাও বেধে দেন নির্যাতিতার বাবা। তাঁকে সমর্থন জানান অভিভাবকদের একাংশ।

সকাল থেকে দুপুর। ঘনঘন বদলাতে থাকে আন্দোলনের রূপরেখা ও পরিস্থিতি। স্কুল খোলা নিয়ে দেখা দেয় মতানৈক্য। শেষে অভিভাবক ফোরামের একাংশ জানিয়ে দেন তাঁরা বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন। নির্যাতিতার বাবা-মাকে ছাড়াই তাঁরা যোগ দেন স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে। বৈঠকে প্রিন্সিপাল, শিক্ষা দফতর কিংবা আইসিএসই বোর্ডের কোনও সদস্য ছিলেন না। স্কুলের আধিকারিক, শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন ও পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে বসেন অভিভাবকদের সাত প্রতিনিধি।

অন্যদিকে, জি ডি বিড়লা স্কুলের ঘটনার পাঁচ দিনের মাথায় ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখে প্রিন্সিপাল শর্মিলা নাথ। লালবাজারে সাড়ে আট ঘণ্টার জেরায় প্রিন্সিপাল যে উত্তর দিয়েছেন, তাতে বহু অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। একাধিক প্রশ্ন এড়িয়েও গিয়েছেন। এমনকি স্কুলের হাজিরা খাতাও গোয়েন্দাদের সামনে পেশ করতে পারেননি তিনি।

First published: December 6, 2017, 10:41 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर