Home /News /kolkata /
Kolkata Crime|| তোলা দিতে না দেওয়ায় শিয়ালদহে আক্রান্ত ফল ব্যবসায়ী, ব্যাপক আতঙ্ক এলাকায়

Kolkata Crime|| তোলা দিতে না দেওয়ায় শিয়ালদহে আক্রান্ত ফল ব্যবসায়ী, ব্যাপক আতঙ্ক এলাকায়

Fruit vendor attacked by some hooligans: প্রতিদিনের মতই বাজার বসেছিল শিয়ালদা স্টেশন চত্তরে। মূলত আম, জাম, কাঠাল, পাকা পেঁপে, আপেলের পাইকারি বাজার ওখানে চলে সারা বছর ধরেই।

  • Share this:

#কলকাতা: প্রতিদিনের মতই বাজার বসেছিল শিয়ালদহ স্টেশন চত্তরে। মূলত আম, জাম, কাঠাল, পাকা পেঁপে, আপেলের পাইকারি বাজার ওখানে চলে সারা বছর ধরেই। দীপঙ্কর রাউত প্রতিদিনের মতোই ফলের পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন। ক্রেতার অপেক্ষা করছিলেন। রাত সাড়ে বারো'টা নাগাদ কয়েকজন যুবক এসে তাঁর কাছ থেকে কাউন্সিলের নাম করে হাজার টাকা তোলা চায়। দীপঙ্কর সেই টাকা দিতে না চাওয়ায় প্রথমে তাঁর সঙ্গে বচসা হয়। পরে তাঁর উপরে চড়াও হয় দুষ্কৃতকারীরা। আগে মারধোর করা হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। পিঠে গুরুতর আঘাত লাগে ব্যবসায়ীর। প্রথমে ঘটনাস্থলে থাকা ক্রেতা বিক্রেতারা কিছু বুঝে উঠতে পারেননি। পরে এই ঘটনার কথা শুনে অবাক হয়ে যান তাঁরা। এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন: বিষধর কেউটে পুজো দেখেছেন? মঙ্গলকোটের গ্রামে 'ঝঙ্কেশ্বরী' মন্দিরে পূজিতা হন এখনও

এ দিকে আহত অবস্থায় নিকটতম হাসপাতাল এনআরএসে যান দীপঙ্কর। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। এরপর এন্টালি থানায় তিনি যান অভিযোগ জানাতে। দীপঙ্কর জানান, "ওরা এসে আমার কাছ থেকে টাকা চাইল। বলল হাজার টাকা করে দিতে হবে। নিজেদের ছত্তিশ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শচীন সিংয়ের অনুগামী হিসেবে পরিচয় দিল রাহুল যাদব নামে একটি ছেলে। আমি বললাম আমি এই টাকা দিতে পারব না। প্রথমে আমাকে ওরা হুমকি দিতে শুরু করে। আমি নিজের অবস্থানে অনড় থাকায় আমার উপরে হামলে পড়ে। প্রথমে চর, থাপ্পর, কিল, ঘুসি মারতে থাকে। এরপর একটা ধারালো অস্ত্র দিয়ে পর পর আঘাত করতে থাকে। আমি লুটিয়ে পড়ি। আমার শরীর থেকে রক্ত বের হতে থাকে। তখন ওই দুষ্কৃতকারীরা পালিয়ে যায়। আমি কোনও মতে এনআরএস হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করাই। এর পরে এন্টালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি নিরাপত্তার অভাব বোধ করছি। বাজারে এমনিতেও প্রচুর মানুষ থাকে। পুলিশও টহল দেয় মাঝেমধ্যে। এমন পরিস্থিতিতে কী করে এই কাজ ওরা করতে পারে৷"

এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। আতিফ আখতার নামে এক ফল ব্যবসায়ী বলেন, "আমি এখানেই ছিলাম। প্রথমে কিছুই বোঝা যায়নি। বাজারে এমনিতেই হট্টগোল থাকে৷ ক্রেতা বিক্রেতা চেঁচামিচি হয়েই থাকে। মনে হচ্ছিল সেরকমই কিছু একটা হয়ে থাকবে। পরে শুনলাম এই কান্ড হয়েছে। এই বিষয়টা প্রশাসনের আরও ভাল করে দেখা উচিত।" খুচরো ফলের ব্যবসায়ী খোকন রায় বলেন, "এখান তো বেচাকেনা করতে আসতেই হয়। টাকা পয়সা নিয়ে যাতায়াত করতে কোনও দিন ভয় লাগেনি। এখন এই ঘটনার পর তো চিন্তা হচ্ছে।"

UJJAL ROY

Published by:Shubhagata Dey
First published:

Tags: Kolkata

পরবর্তী খবর