কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

টালা সেতুতে ছোট গাড়ি চলাচল বন্ধ, বদলাচ্ছে অটো রুট, আগামী সপ্তাহ থেকেই নয়া ব্যবস্থা

টালা সেতুতে ছোট গাড়ি চলাচল বন্ধ, বদলাচ্ছে অটো রুট, আগামী সপ্তাহ থেকেই নয়া ব্যবস্থা
File Photo

সেতুর ওপর দিয়ে ছোট গাড়িও চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। পুজোর আগে থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বড় গাড়ি চলাচল।

  • Share this:

ABIR GHOSHAL #কলকাতা: নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই ভাঙার কাজ শুরু হতে পারে টালা ব্রিজ। রাজ্য পুর্ত দফতর সূত্রে খবর আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে সেতু ভাঙার কাজ শুরু হতে চলেছে। ফলে টালা ব্রিজে বন্ধ হতে চলেছে ছোট গাড়িও। সেতুর ওপর দিয়ে বন্ধ হবে অটো চলাচলও। টালা সেতু ভাঙার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি শুরু করে দিল রাজ্য সরকার। রবিবার সকাল থেকেই সেতুর ফুটপাথের রেলিং খোলার কাজ শুরু করে দিল পুর্ত দফতর। আপাতত স্থির হয়েছে সেতুর দুদিকের এপ্রোচ রোডের অংশ আগে ভাঙা হবে। আনুমানিক ২ কোটি টাকা এটি ভাঙতে খরচ হবে । ফলে সেতুর ওপর দিয়ে ছোট গাড়িও চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। পুজোর আগে থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বড় গাড়ি চলাচল। বিশেষজ্ঞ সংস্থা রাইটসের প্রস্তাব ছিল কোনও গাড়ি চলাচল করতে দেওয়া উচিত নয়। কিন্তু পুজোর সময় যানজটের আশঙ্কায় ছোট গাড়ি চলাচল করার অনুমতি দেওয়া হয়। বড় গাড়ি বিশেষ করে বাস চলাচলের রুট ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।যদিও একাধিক বাস অ্যাসোসিয়েশন বাসের রুট বদল নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল। মাঝে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় একাধিক রুট। যদিও পুলিশ ও পরিবহণ দফতরের চাপাচাপিতে বেসরকারি বাস চলছে। এবার এই সমস্ত রুটের বাসের আসা-যাওয়ার জন্য রাস্তা ঠিক করে দিল রাজ্য পরিবহণ দফতর। এদিন বেলতলা মোটর ভেহিক্যালস দফতরে নয়া রুট নিয়ে বৈঠক করল রাজ্য পরিবহণ দফতর ও পুলিশ। ঠিক হয়েছে, কলকাতা থেকে ডানলপগামী উত্তরমুখী বাস এবং ছোট গাড়ি চিৎপুর লকগেট উডালপুল ধরে বি টি রোডের দিকে যাবে। যদিও উড়ালপুলে গতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ৩০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় চলবে গাড়ি। ইতিমধ্যেই এই উড়ালপুলে সারাইয়ের কাজ করেছে পুর্ত দফতর।

অন্যদিকে, ডানলপের দিক থেকে শ্যামবাজারের দিকে আসা বাস ও ছোট গাড়ি আসবে বেলগাছিয়া সেতু ধরে। এই সেতুতেও প্রাথমিক সারাইয়ের কাজ সেরে ফেলেছে পুর্ত দফতর। গত কয়েকমাসে বাস ঘুরে চলার জন্য সাধারণ যাত্রীদের ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। রুট ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য গন্তব্যে পৌছতে দেরি হচ্ছিল যাত্রীদের। ফলে ভরসা ছিল একমাত্র অটো। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে অটো রুটও ভেঙে ফেলা হবে। সিঁথির দিক থেকে টালা ট্যাঙ্ক পর্যন্ত চলবে কিছু অটো, আবার শ্যামবাজারের দিক থেকে আসা অটো আসতে পারবে ক্যানাল ইস্ট রোডের ক্রসিং অবধি। ফলে এই অংশে কমবে অটোর ভাড়া। লরি চলাচলের জন্যেও তৈরি করা হচ্ছে আলাদা রাস্তা। ইতিমধ্যেই লেভেল ক্রসিং তৈরি করা নিয়ে রাজ্য ফের আবেদন জানিয়েছে রেলের কাছে। তিন বছরের জন্য খরচ হবে প্রায় ১৪ কোটি টাকা। রাজ্য সরকার সেই টাকা দিতেও রাজি। এছাড়া চিৎপুর রেল ইয়ার্ডের পাশে ৩০ ফুট আলাদা চওড়া রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে। রেলের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে রাজ্য। এর জন্যে অর্থ অবধি খরচ করতে রাজি রাজ্য সরকার। ঘুরে বাস চলার জন্যে জ্বালানি বেশি পুড়ছে বলে অভিযোগ করছেন বাস মালিকরা। তারা রাজ্যের কাছে এদিনও আবেদন করেছেন ভাড়ার তালিকা পুনবিন্যাস করা হোক। যদিও ভাড়া বৃদ্ধি করতে এখনও রাজি নয় রাজ্য পরিবহণ দফতর।

Published by: Elina Datta
First published: December 30, 2019, 3:01 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर