• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • FRESH HILSA FISH WILL NOT REMAIN AVAILABLE IN THIS JAMAI SASTHI AKD

Hilsa Fish| জামাইষষ্ঠী| একটুর জন্য মিস! এবার জামাইষষ্ঠীতে ইলিশের আকাল, দুধের স্বাদ ঘোলে!

গড়িয়াহাটের ক্রেতা তপন বন্দ্যোপাধ্যায়, পণ করেছেন যে করে হোক জামাইকে ইলিশ মাছ খাওয়াবেনই।

Hilsa Fish, Jamai Sashthi: এ হেন বিসংবাদে শ্বশুরের কপালে ভাঁজ আর মৎস্যবিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনের ফেরেই অধরা ইলিশ।

  • Share this:

#কলকাতা: জামাইষষ্ঠীতে জামাইদের পাতে উঠবে রূপোলি শস্য, রন্ধনশালার আনাচকানাচ ম ম করবে ইলিশের গন্ধে, এমনটাই শতাব্দীপ্রাচীন রেওয়াজ। কিন্তু এবার সম্ভবত সে গুড়ে বালি পড়তে চলেছে। জামাইয়ের পাতেও যে পঞ্চব্যঞ্জন তুলে দেওয়া হবে ষষ্ঠীর মধ্যাহ্নে তাতে ইলিশ থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। এ হেন বিসংবাদে শ্বশুরের কপালে ভাঁজ আর মৎস্যবিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনের ফেরেই অধরা ইলিশ।

কেন পরবের সময়ে ‌আকাল ইলিশের! মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন,  গোটা দেশজুড়ে খোকা ইলিশ ধরার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকে একটা লম্বা সময়। বর্ষা আসার আগে ৫০ দিন ইলিশের প্রজননের সময় দেওয়া হয়। ওই সময় মৎস্যজীবীদের ইলিশ ধরা বারণ থাকে। মৎস্যজীবীরা মেনেই চলে সেই নিয়ম। এবার সেই নিষেধাজ্ঞা উঠছে ১৪ ই জুন। নিম্নচাপের ভ্রূকুটির জন্য জলে নামার নিষেধাজ্ঞাও উঠেছে ওই দিনই। পরদিন সকালবেলা সমুদ্রে গিয়ে জামাইষষ্ঠীর সকালের মধ্যে গোটা বাংলার বাজারে ইলিশ সরবরাহ করা এক কথায় অসম্ভব। এই কারণে এবার রসনায় প্রিয় পদটি বাদ যেতে পারে অথবা দুধের স্বাদ মেটাতে হবে ঘোলেই।

সূত্রের খবর, এরই মাঝে দিঘায় নাছোড় চেষ্টা শুরু হয়েছে দ্রুত ইলিশ বাজারে আনার। এই মুহূর্তে দিঘায় ছোট-বড় অন্তত সাড়ে তিন হাজার ট্রলার রয়েছে ইলিশ ধরার জন্য। দিঘা ফিশারম্যান এন্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শ্যমসুন্দর দাস জানাচ্ছেন, আঠারোশো ট্রলার নিয়ম ভাঙার পরেই বেরিয়ে গিয়েছে মাছ ধরতে গভীর সমুদ্রে। কিন্তু তারা ফিরতে ফিরতে ১৬ তারিখ সন্ধ্যা-রাত।

দিঘার পাইকারি বাজারে এই মাছ উঠবে পরদিন সকালে অর্থাৎ ১৭ তারিখ। কলকাতা সংলগ্ন বাজারগুলিতে বছরের নতুন ইলিশের দেখা মিলতে পারে পরদিন অর্থাৎ ১৮ জুন।

তাহলে কি জামাইবরণের জন্য রূপোলি মাছ ব্যবস্থা করার কোন উপায়ই নেই! খাদ্যরসিকরা বলছেন আলবাৎ আছে। যদিও তা বেশিরভাগ লোকেরই না পসন্দ। গড়িয়াহাট-মানিকতলা বাজারে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে।  কিন্তু তা গত বছরের মাছ, কোল্ড স্টোরেজে রাখা ছিল। নতুন ইলিশের স্বাদ গন্ধ তাতে পাওয়া যাবে না ঠিকই তবে দুধের সা ঘোলে মেটাতে চেয়েই সে মাছে হাত বাড়াচ্ছেন অনেকে।  গড়িয়াহাটের ক্রেতা তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, "বছরে একটাবার জামাইকে খাওয়ানোর সুযোগ পাই, বাসি হোক তাই সই, ইলিশ আমি কিনবই।"

অবশ্য হিমঘরের মাছের দামও আগুন। এক কেজির উপরে যে মাছ তার দাম কেজিপ্রতি পনেরশো থেকে আঠারোশের ভিতরে ঘোরাফেরা করছে। আর আটশো-সাড়ে আটশো গ্রামের মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি বারোশো টাকা দরে। মৎস্য মারিব খাইব সুখে-ভাবনাটা তাই এবার কিছুটা যেন দিবাস্বপ্নই। কেই আবার নিজেকে ভোলাতেই বলছেন-ওল্ড ইজ গোল্ড।

-Input Biswajit Saha

Published by:Arka Deb
First published: