• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • FRAUDSTERS OPENED FAKE CALL CENTER FOR MONEY LAUNDERING CAUGHT IN THE TRAP OF CID SR

রাজারহাটে কল সেন্টারের আড়ালে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা চক্র, সিআইডি জালে ধৃতরা 

তদন্তে জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন আগে বীমা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিল। সেখানে কাজ হারানোর পর এই প্রতারণা চক্রের পরিকল্পনা করা হয়।

তদন্তে জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন আগে বীমা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিল। সেখানে কাজ হারানোর পর এই প্রতারণা চক্রের পরিকল্পনা করা হয়।

  • Share this:

     Amit Sarkar, ARPITA HAZRA

    #কলকাতা: বেআইনি কল সেন্টার খুলে প্রতারণা চক্র। অভিযোগ পেয়ে রাজারহাটে অভিযান চালাল সিআইডি। গ্রেফতার ১২। গৃহ ঋণ, গাড়ি ঋণ থেকে ব্যক্তিগত ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা। সিআইডি সূত্রে খবর, রাজারহাটে বেআইনি কল সেন্টার খুলে চলছিল এই প্রতারণা চক্র। জুলাই মাসের ২ তারিখ সিআইডির সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। সেই সূত্র ধরেই প্রথমে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের জেরা করেই এই চক্রের পাণ্ডাদের খোঁজ মেলে বলে দাবি এক সিআইডি কর্তার। ইতিমধ্যে চক্রের চার মাথা ঈশ্বরচন্দ্র দাস, কৌশিক পট্টনায়েক, স্বপন শীল, বাপ্পা কোলে সহ মোট ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    কী ভাবে চলত প্রতারণা? গোয়েন্দাদের দাবি, বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাঙ্ক ও বীমা সংস্থার নাম করে ফোন করা হত। ঋণ পাইয়ে দেওয়া হবে বা বীমা করানো হবে, সঙ্গে লোভনীয় অফার দেওয়া হত। যাঁদের ঋণের প্রয়োজন আছে, তাঁরা পরবর্তীতে যোগাযোগ করলে শুরু হত প্রতারণার ফাঁদে ফেলার কাজ। ঋণ পাইয়ে দিতে প্রসেসিং ফি বাবদ টাকা চেয়ে দেওয়া হত অ্যাকাউন্ট নম্বর। সেই অ্যাকাউন্টে টাকা দিয়ে ফেললেও মিলত না পরিষেবা। অর্থাৎ ওই ব্যক্তি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। বছর খানেক ধরেই চলছিল এই চক্রের কাজ কর্ম। বহু মানুষ প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে দাবি সিআইডির।

    বেআইনি কল সেন্টারে অভিযান চালিয়ে ৪০টি মোবাইল ফোন, একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত বাকিদের খোঁজ জারি রয়েছে। এখনও পর্যন্ত তদন্তে জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন আগে বীমা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিল। সেখানে কাজ হারানোর পর এই প্রতারণা চক্রের পরিকল্পনা করা হয়। যেহেতু তারা আগেই বীমা সংস্থায় কাজ করেছিল, তাই অনেক গ্রাহকের যোগাযোগ নম্বর ও তথ্য ছিলই। আর সেই কাজের অভিজ্ঞতাকেও এখানে কাজে লাগান হয় বলেই দাবি গোয়েন্দাদের। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে বাকিদের খোঁজ শুরু করতে চাইছেন গোয়েন্দারা।

    Published by:Simli Raha
    First published: