corona virus btn
corona virus btn
Loading

৪ হাজার টাকায় করোনা টেস্ট হচ্ছিল ফুলবাগান এলাকার ভুয়ো ল্যাবে, তিন বছর আগেই বাতিল হয়েছিল লাইসেন্স

৪ হাজার টাকায় করোনা টেস্ট হচ্ছিল ফুলবাগান এলাকার ভুয়ো ল্যাবে, তিন বছর আগেই বাতিল হয়েছিল লাইসেন্স

ঘটনার তদন্তে নেমে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে পুলিশের হাতে

  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশে বুধবার ফুলবাগান এলাকায় কোভিড ১৯ টেস্টের একটি ভুয়ো ল্যাব সিল করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে ত্রিবেণী ক্লিনিক নামে ওই ল্যাবের মালিক রতনলাল গুপ্তাকে। আর এই ঘটনার তদন্তে নেমে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে পুলিশের হাতে।

ধৃত রতনলালকে জেরা করে ফুলবাগান থানার পুলিশ জানতে পেরেছে, চার হাজার টাকার বিনিময়ে করোনা পরীক্ষা করা হত ওই ল্যাবে। রিপোর্ট দেওয়া হত ওই ল্যাবের লেটারহেডেই। মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করার জন্য সরকারি প্রশংসাপত্র টাঙিয়ে রাখা হয়েছিল ল্যাবের ভেতরে। তবে আশার খবর, এই ল্যাব বেআইনি হলেও খুব বেশিদিন কার্যকলাপ চালাতে পারেনি। পুলিশি জেরায় অভিযুক্ত ল্যাবের মালিক জানিয়েছে, বুধবার পর্যন্ত ৬ জনকে পরীক্ষা করে রিপোর্ট দিয়েছিল। তবে সংখ্যাটা কতটা সঠিক তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তদন্তে ফুলবাগান থানার পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, যে ল্যাবে বেআইনিভাবে কোভিড ১৯ টেস্ট করা হচ্ছিল, তিন বছর আগেই সেই ল্যাবটির লাইসেন্স বাতিল করেছে স্বাস্থ্য দফতর। তারপরও সেখানে কীভাবে কাজ চলছিল ?  উঠছে প্রশ্ন। স্থানীয় মানুষ অবশ্য এক্ষেত্রে পুলিশি নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। স্বাস্থ্য দফতর যেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে কোন-কোন বেসরকারি ল্যাবে পরীক্ষা হবে কোভিড ১৯-এর, সেখানে কীভাবে অন্য একটি বেসরকারি ল্যাব অল্প ক'দিনের জন্য হলেও গজিয়ে উঠল, সেটাই বড় প্রশ্ন।

করোনা পরীক্ষা করার জন্য যে বিশেষ কিটের প্রয়োজন হয় তা এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছিল কিনা, কিংবা কোন কিটের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হচ্ছিল, সে বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে চায় পুলিশ।

ল্যাবের মালিককে গ্রেফতার করার পর বৃহস্পতিবার শিয়ালদহ আদালতে পেশ করা হলে পুলিশ ধৃতকে ১১মে পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। কোন কিট দিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে তা দেখতে ধৃতকে নিয়েই ওই ল্যাবে হানা দেবে পুলিশ। বাজেয়াপ্ত করা হবে কিট গুলি। সেগুলি আসল না নকল তাও পরীক্ষা করে দেখা হবে। ফুলবাগান থানার এক অফিসার বলেন, ' সব থেকে জরুরি বিষয় হল, কোথা থেকে এই কিটগুলি আনা হয়েছে সেটা জানা। অন্য কোনও বৈধ ল্যাব থেকে কোনও অসাধু ব্যবসায়ীর মাধ্যমে এই কিট বাইরে বেরিয়ে আসছে কিনা সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।'

সরকারি আইনজীবী অরূপ চক্রবর্তী আদালতে বলেন, 'এই ভুয়ো ল্যাব চক্রে আরও অনেকে জড়িত আছে। তাদেরও গ্রেফতার করা হবে। কোথা থেকে কোভিড-১৯ টেস্ট করার কিট পেয়েছে তা জানতে বাজেয়াপ্ত করা হবে কিটগুলি।'

SUJOY PAL

First published: May 7, 2020, 8:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर