• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • মন্দিরের দেওয়ালে মায়ের ছবি ঝুলিয়ে পুজো, কালীঘাটে অসাধু চক্রের রমরমা

মন্দিরের দেওয়ালে মায়ের ছবি ঝুলিয়ে পুজো, কালীঘাটে অসাধু চক্রের রমরমা

কালীঘাট মন্দিরের বাইরে পাঁচ নম্বর গেটে মায়ের ছবি ঝুলিয়ে চলছে নকল পুজো-আচ্চা।  রীতিমত ব্যবসা ফেদে বসেছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী

কালীঘাট মন্দিরের বাইরে পাঁচ নম্বর গেটে মায়ের ছবি ঝুলিয়ে চলছে নকল পুজো-আচ্চা। রীতিমত ব্যবসা ফেদে বসেছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী

কালীঘাট মন্দিরের বাইরে পাঁচ নম্বর গেটে মায়ের ছবি ঝুলিয়ে চলছে নকল পুজো-আচ্চা। রীতিমত ব্যবসা ফেদে বসেছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী

  • Share this:

#কলকাতা : মন্দির বন্ধ। সোমবার থেকে শুরু হবে মন্দিরে স্যানিটাইজিং টানেল বসানোর কাজ। আগামী সপ্তাহেই শুভদিন দেখে ভক্তদের জন্য কালীঘাট মন্দির খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। কিন্তু মন্দির খোলার জন্য অপেক্ষা করে কে! কালীঘাট মন্দিরের বাইরে পাঁচ নম্বর গেটে মায়ের ছবি ঝুলিয়ে চলছে নকল পুজো-আচ্চা।  রীতিমত ব্যবসা ফেদে বসেছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী। কারা করছে এসব? খোঁজ নিয়ে জানা গেল, মন্দির কমিটির সঙ্গে এদের দূর-দূরান্তে কোন যোগসূত্র নেই। স্থানীয় কিছু মানুষজন যাদের জীবন-জীবিকা সবটাই মন্দিরকে কেন্দ্র করে, এই সব তাদের মস্তিষ্কপ্রসূত।

 নাকের ডগায় কালীঘাট থানা। কিন্তু কে কার খবর রাখে! মায়ের মন্দির বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে পয়সা উপার্জনের বাঁকা রাস্তায় নেমে পড়েছেন এক শ্রেণীর অসাধু স্থানীয় ব্যবসায়ী। এদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন স্থানীয় কিছু দোকানদার। মায়ের দর্শনের আশায় দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসা মানুষজনকে ভুল বুঝিয়ে হাতে পুজোর ডালা ধরিয়ে এরাই নিয়ে যাচ্ছে  মন্দিরের ৫ নম্বর গেটে। তারপর সেখানে মায়ের ছবির সামনে দাঁড়িয়ে চলছে মন্ত্রপাঠ, ধূপধুনো, পুজো -আচার। বাস্তব ক্ষেত্রে মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে এর কোনও যোগাযোগ পর্যন্ত নেই!

কালীঘাট মন্দির কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট বাবলু হালদারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান," বিষয়টা শুনেছি। মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়। মন্দির কমিটির কেউ এর সঙ্গে জড়িত নয়। প্রশাসন নজর দিলে বন্ধ হতে পারে এই অসাধু ব্যবসা।"

লকডাউনের কারণে ২২ মার্চের পর ভক্তদের জন্য কালীঘাট মন্দিরের দরজা আগামী সপ্তাহে ফের খুলে দেওয়া হচ্ছে সাধারণের জন্য। কোভিড সতর্কতা মেনে চলবে মায়ের পুজো। একসঙ্গে ১০ জনের বেশি মন্দিরে প্রবেশাধিকার পাবেন না। থার্মাল স্ক্রিনিং ছাড়াও স‍্যানিটাইজিং টানেলের মধ্যে দিয়ে যাতায়াত করতে হবে ভক্তদের। আপাতত ২, ৩, ৪-তিনটি গেট দিয়ে মন্দিরে ভক্তদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করা হবে। পরিবর্তন ঘটছে মন্দির খোলার সময়সীমাতেও। সকাল ৬'টা থেকে মন্দির খোলা থাকবে দুপুর সাড়ে বারোটা পর্যন্ত। বিকেল চারটে থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত মায়ের দর্শন করতে পারবেন ভক্তরা। কোভিড সতর্কতা মেনে নো কন্ট্যাক্ট পুজোর উপরেই জোর দেওয়া হবে। মন্দির কর্তৃপক্ষের এত কিছু পরিকল্পনার মধ্যে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় কিছু অসাধু মানুষের ব্যবসায়িক ক্রিয়া-কলাপ। মন্দিরের দেওয়ালে মায়ের ছবি ঝুলিয়ে ভক্তকুলকে প্রতারিত করার দুরভিসন্ধিকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। এরপরেও প্রশাসনের নজর এই ঘটনার ওপর পড়ে কী না, সেটাই এখন দেখার!

PARADIP GHOSH

Published by:Rukmini Mazumder
First published: