ভারী গাড়ি গেলেই সেতু থেকে ঝরে পড়ছে গুঁড়ো, পোস্তা, মাঝেরহাটের পর কি এবার দ্বিতীয় হুগলি সেতুর পালা?

ভারী গাড়ি গেলেই সেতু থেকে ঝরে পড়ছে গুঁড়ো, পোস্তা, মাঝেরহাটের পর কি এবার দ্বিতীয় হুগলি সেতুর পালা?

ভিডিওটি দেখলেই শিউরে উঠবেন

  • Share this:

Arnab Hazra

#কলকাতা: পোস্তা, মাঝেরহাট, টালার পর কি দ্বিতীয় হুগলি সেতুর পালা? জিজ্ঞাসা চিহ্নের মধ্যেই স্পষ্ট, সেতু বিপর্যয়ের সিরিজে এখনই নেই বিদ্যাসাগর সেতু। তবে সাবধানের কোন মার নেই। তাই শঙ্কা মনে পুষে কাঁপা হাতে ঈশিতা বিশ্বাসের মোবাইল বন্দী হতে থাকে দ্বিতীয় হুগলি সেতু।

হাইকোর্ট পাড়ায় আইনজীবী হিসেবে সদ্য হাত পাকিয়েছেন ঈশিতা। স্কুলে, কলেজে গল্প করেছেন বিদ্যাসাগর সেতু নিয়ে। সেই সেতুর নিচ থেকে সমানে ঝরে পড়ছে চাপচাপ কালো গুঁড়ো বস্তু । সরাসরি হুগলি নদীতে। ভারী যানবাহন গেলে আরও দ্রুত তা নিচে নেমে আসছে।

টানা ৩০ মিনিটের বেশি সময় যখন মোবাইল বন্দী হয়ে চলেছে এই দৃশ্য, তখন হঠাৎই অন্ধকার। সূর্য অস্ত গিয়েছে। ৩ ডিসেম্বরের পর আবারও একদিন একই অভিজ্ঞতা, প্রিন্সেপ ঘাট থেকে। আর থেমে থাকেননি ঈশিতা। অন্য আইনজীবী বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এসেছেন। সোশ্যাল সাইটে সাহায্য চেয়েছেন সহ নাগরিকদের। দ্বিতীয় হুগলি সেতুর দায়িত্বে থাকা HRBC কাছে পৌঁছে দিয়েছেন আইনি নোটিশ। কলকাতার সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী এই সেতু নিয়ে, কোনও আশঙ্কা মনে জিইয়ে রাখতে চান না তিনি ও তার আইনজীবী বন্ধুরা। আমরা নিউজ ১৮ বাংলা'ও ইশিতা-দের উদ্যোগে সামিল  হলাম।

vlcsnap-error874

ঈশিতার কাঁপা হাতে তোলা মোবাইল বন্দি সেতু'র ছবি পৌঁছে দিলাম এইচআরবিসি দফতরে । বৃহস্পতিবার সংস্থার তরফে সেতু পরিদর্শনে যায় ইঞ্জিনিয়ারদের দল। দীর্ঘদিন জমে থাকা ময়লা সেতুর ফাঁক গলে নিচে পড়তে পারে বলে অনুমান দলটির। আরও সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এইচআরবিসি।

কলকাতা- হাওড়া যমজ শহর। আর তার জোড়া "পা", রবীন্দ্র আর বিদ্যাসাগর সেতু। ২৭ বছর অবিরাম পরিষেবা দিয়ে আসা দ্বিতীয় হুগলি সেতুর পরিচর্যায় কী কোন ফাঁক থাকছে? নজর এড়িয়ে যাচ্ছে ছোটখাটো বিষয়? যা ভবিষ্যতের মাথাব্যাথা হয়ে উঠতে পারে? ঈশিতা'রা অবশ্য হাল ছাড়তে রাজি নন। আইনি নোটিশ-এর উত্তর না মিললে জনস্বার্থ মামলার প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছেন তাঁরা। সেতুর স্বাস্থ্যের হাল ফিরিয়ে দেওয়ার শপথ এখন তাঁদের চোখেমুখে।

First published: 06:37:58 PM Dec 05, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर