হাইকোর্টে জরিমানার মুখে বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত

হাইকোর্টের সময় নষ্ট করার জন্য ১১হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা।বিধাননগর পুরনিগমে জরিমানার টাকা জমা দেওয়

হাইকোর্টের সময় নষ্ট করার জন্য ১১হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা।বিধাননগর পুরনিগমে জরিমানার টাকা জমা দেওয়

  • Share this:

# বিধাননগর: সময়টা সম্ভবত খারাপ যাচ্ছে বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্তের। তা না হলে হাইকোর্টে এমন শুকনো বিপদ হয় ! মামলার দ্রুত শুনানি চাওয়ার জন্য জরিমানা বাবদ ১১,০০০টাকা গুনতে হবে তাঁকে। জরিমানার টাকা জমা করতে হবে বিধাননগর পুরনিগমে। পুরসভা থেকে নিগম হওয়ার পর বিধাননগরের প্রথম মেয়র হন সব্যসাচী দত্ত। সল্টলেক, রাজারহাট হাতের তালুর মতো চেনা তাঁর।   মেয়র থাকাকালীন চারটি কাজ বেআইনিভাবে হচ্ছে বলে অভিযোগ ছিল সব্যসাচী বাবুর কাছে। তাই ওই চারটি কাজ বন্ধ করে দেওয়ার নোটিশ দেন তিনি। এরপর বিধাননগর পুরনিগমে রাজনৈতিক দোলাচল শুরু হয়। তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলরদের মধ্যে আড়াআড়ি বিভাজন শুরু  হয়ে যায়। তৃণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীনই মেয়র পদ ছেড়ে দেন সব্যসাচী দত্ত। নতুন মেয়র হন কৃষ্ণা চক্রবর্তী।

কিছুদিন আগে  কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করে প্রাক্তন মেয়র অভিযোগ আনেন, তিনি মেয়র থাকাকালীন যে বেআইনি কাজ গুলি বন্ধ করার নোটিশ জারি করে বিধাননগর পুরনিগম। নতুন মেয়র আসতেই সেই বেআইনি কাজ গুলি ফের শুরু করা হয়েছে।  বিচারপতি রাজশেখর মান্থার  বেঞ্চে জরুরী শুনানি চেয়ে আবেদন রাখেন সব্যসাচী বাবুর আইনজীবী। বিচারপতি আবেদনটি জরুরি শুনানি হিসেবে নেন। বুধবার দুপুর দুটোয় বিচারপতি মান্থা'র বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়। সওয়াল-জবাবের পর বিচারপতি জানান বিধান নগরের প্রাক্তন মেয়র-এর আবেদনটির জরুরিভিত্তিতে শুনানি করার মতো কিছু নেই।অহেতুক আদালতের সময় নষ্ট করা হয়েছে। আর পাঁচটা সাধারণ মামলার সঙ্গেই এই আবেদনের শুনানি হতে পারে।

হাইকোর্টের সময় নষ্ট করার জন্য ১১হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা।বিধান নগর পুরনিগমে জরিমানার টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি। সরকারি আইনজীবী অর্ককুমার নাগ জানান, " মামলার মেরিট-এর সঙ্গে দ্রুত শুনানির কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। এটা আদালত বুঝতে পেরেই জরিমানা নির্দেশ দিয়েছে। এই মামলার দ্রুত শুনানি হলে ভবিষ্যতে জরুরি শুনানির ক্ষেত্রে মামলার সংজ্ঞা বদলে যেতে পারতো। "

Published by:Akash Misra
First published: