• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • বাড়ি ফেরার জন্য অস্থির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, দু-তিন দিনেই হাসপাতাল থেকে ছুটি

বাড়ি ফেরার জন্য অস্থির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, দু-তিন দিনেই হাসপাতাল থেকে ছুটি

শুক্রবারই বুদ্ধবাবুকে মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন থেকে বার করা হয়। তারপর থেকেই চেনা মেজাজে তিনি। কথার জড়তা অনেকটাই কেটে গিয়েছে।

শুক্রবারই বুদ্ধবাবুকে মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন থেকে বার করা হয়। তারপর থেকেই চেনা মেজাজে তিনি। কথার জড়তা অনেকটাই কেটে গিয়েছে।

শুক্রবারই বুদ্ধবাবুকে মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন থেকে বার করা হয়। তারপর থেকেই চেনা মেজাজে তিনি। কথার জড়তা অনেকটাই কেটে গিয়েছে।

  • Share this:

    #কলকাতা: বাড়ি ফেরার জন্য অস্থির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স প্রত্যেককেই বারবার জিজ্ঞেস করছেন, কবে বাড়ি ফিরতে পারবেন তিনি? চিকিৎসকদের অনুরোধ করেছেন, দ্রুত তিনি বাড়ি ফিরতে চান।

    শুক্রবারই বুদ্ধবাবুকে মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন থেকে বার করা হয়। তারপর থেকেই চেনা মেজাজে তিনি। কথার জড়তা অনেকটাই কেটে গিয়েছে। শনিবার সকালে মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা তাঁকে দেখতে গেলে তিনি জানতে চান যে, কতক্ষণ তিনি ভেন্টিলেশনে ছিলেন? ভেন্টিলেশনে তাঁকে থাকতে হয়েছে, সেটা বিশ্বাসই করতে চাইছেন না তিনি। সূত্রের খবর, বাড়ি থেকে হাসপাতাল আসার সময়ের কোনও কথাই তাঁর মনে নেই। সেই সময় তাঁর কি হয়েছিল, তা নিয়ে বারবার পরিবারের সদস্যদের কাছে জানতে চাইছেন। চিকিৎসকরা অবশ্য বলছেন তাঁকে বার বাড়ি বলছেন, তাঁর যা হয়েছিল সেটাই স্বাভাবিক। কারণ তাঁকে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেই সময় তাঁর জ্ঞান ছিল না। এছাড়াও তাঁর সিওপিডি-র সমস্যা নিয়েও চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বুদ্ধবাবু তাঁর প্রস্রাবের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ চেয়েছেন।

    এ দিকে শনিবার তাঁকে ব্ল্যাক টি বা লিকার চা দেওয়া হয়। রাতে গরম গরম স্যুপ খেতে চেয়েছিলেন। এ দিন তাঁকে ফিজিওথেরাপি করা হয়। পায়ের বেশ কিছু মুভমেন্ট করা হয়। ফিজিওথেরাপিস্টের সঙ্গেও তিনি কথা বলেছেন। হাঁটা চলা স্বাভাবিক করতে পারবেন কিনা, সে বিষয়েও কথা বলেন। বারবার করে পরিবারের সদস্যেদের কাছে তাঁর দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী তপনবাবুর কথা জানতে চাইছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অনেকটাই ভাল আছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। পরিবারের সকলের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলছেন। খাওয়া দাওয়া করছেন স্বাভাবিক। সব ঠিক থাকলে তাঁকে দু-তিন দিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।

    Avijit Chanda

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: