• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • শহরের নামী ল্যাবের ভুলে ৪ বছর ক্যান্সার আতঙ্কে কাটালেন প্রৌঢ়

শহরের নামী ল্যাবের ভুলে ৪ বছর ক্যান্সার আতঙ্কে কাটালেন প্রৌঢ়

শহরের নামী ল্যাবের ভুলে ক্যান্সার আতঙ্কে ৪ বছর কাটালেন প্রৌঢ়

শহরের নামী ল্যাবের ভুলে ক্যান্সার আতঙ্কে ৪ বছর কাটালেন প্রৌঢ়

শহরের নামী ল্যাবের ভুলে ক্যান্সার আতঙ্কে ৪ বছর কাটালেন প্রৌঢ়

  • Share this:

    #কলকাতা: ক্যানসার মানেই মৃত্যু নয়। বাস্তবে একথা সত্য। কিন্তু ক্যানসার না হয়েও, মারণরোগের আতঙ্কে চার বছর কাটালেন বিজয়গড়ের শ্যামলেন্দু চট্টোপাধ্যায়। সৌজন্যে ডক্টরস ত্রিবেদী অ্যান্ড রায়ের ভুল রিপোর্ট। যদিও সাজেশন দেওয়ার নামে দায় এড়িয়েছে শহরের এই নামি ডায়গনস্টিক সেন্টার। বিচার চেয়ে ক্রেতাসুরক্ষা আদালতে মামলা করেছে চট্টোপাধ্যায় পরিবার।

    ভুল চিকিৎসা নয়। এবার ভুল রিপোর্টের শিকার রোগী ও তাঁর পরিবার। বছর চারেক আগে শ্যামলেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের গলার একাংশ সামান্য ফুলে ওঠে। কিন্তু তা হালকা ভাবে নেননি বিজয়গড়ের প্রৌঢ়। বেশ কয়েকজন চিকিৎসককে দেখানোর পর ত্রিবেদী অ্যান্ড রায়তে FNAC করান তিনি। রিপোর্ট পেয়ে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে চট্টোপাধ্যায় পরিবারের।

    মৃত্যুর দিন গোনা শুরু হয়ে গিয়েছিল ২০১৩ সালের পাঁচই ডিসেম্বর থেকেই। কেমো থেরাপি শুরুর মুখে, টাটা মেডিক্যাল সেন্টারে যান শ্যামলেন্দুবাবু। সেখানে নতুন করে পরীক্ষা হয়। কিন্তু সেখানে উলটো রিপোর্ট।

    এর আগে পর্যন্ত মৃত্যুর ভয় তাড়া করে বেরিয়েছে চট্টোপাধ্যায় পরিবারকে। তাঁদের এই পরিণতি যাতে আর কারও না হয়। তাই ক্রেতাসুরক্ষা আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁরা।

    ডক্টরর্স ত্রিবেদী অ্যান্ডের রায়ের আইনজীবীর দাবি,- 'ক্যানসার নির্ণয়টা ছিল সাজেশন মাত্র।’ আদালতে ডক্টরর্স ত্রিবেদী অ্যান্ড রায় তাদের বক্তব্য জানিয়েছে।'

    সাজেশনের কথা বলে তবে কি দায় এড়াতে চাইছে ডায়গোনস্টিক সেন্টার? নামকরা সংস্থাই যদি এমন ফাঁক রেখে দায় এড়ানোর চেষ্টা করে, তাহলে মানুষ যাবে কোথায়? আপাতত ক্রেতা আদালতের দায়ের দিকেই তাকিয়ে চট্টোপাধ্যায় পরিবার।

    First published: