• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • FLOOD SITUATION WEST BENGAL IRRIGATION DEPARTMENT TAKING ALERT EXPECTING FLOOD IN BENGAL SANJ

Flood Situation West Bengal: বন্যার আশঙ্কায় আগাম সতর্ক রাজ্য সেচ দফতর! দফায় দফায় বৈঠক নবান্নে...

আগাম সতর্কতায় সেচ দফতর

হাওড়া ও হুগলির বিধায়কদের নিয়ে মিটিং করলেন সেচ মন্ত্রী (Irrigation Minister) সৌমেন মহাপাত্র (Soumen Mahapatra)। ইতিমধ্যেই নবান্ন থেকে সতর্ক করা হয়েছে আগামী ২৬ তারিখের কোটাল নিয়ে। এর পাশাপাশি রাজ্যকে চিন্তায় রেখেছে ডিভিসি। বিহার-ঝাড়খন্ড প্রবল বৃষ্টি হলেই, জল ছাড়বে ডিভিসি৷ তাতেই বন্যা পরিস্থিতি (Flood situation West Bengal) তৈরি হবে।

  • Share this:

#কলকাতা : রাজ্য জুড়ে চলছে লাগাতার বৃষ্টি। বন্যা সতর্কতায় (West Bengal Flood Alert) আগেভাগে প্রস্তুত হচ্ছে রাজ্য সেচ দফতর। হাওড়া ও হুগলির বন্যা প্রবণ এলাকার (Flood prone areas) বিধায়কদের নিয়ে মিটিং সারলেন রাজ্যের সেচ মন্ত্রী (West Bengal Irrigation Minister) সৌমেন মহাপাত্র। ছিলেন দফতরের প্রধান সচিব সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।

সেচ দফতর সূত্রের খবর, নিম্ন দামোদর অববাহিকায় কেন্দ্রের অর্থের অভাবে কাজ করা যাচ্ছে না। চেষ্টা করা হচ্ছে বিশ্ব ব্যাঙ্কের টাকায় কাজ করতে। এই সব বিষয় নিয়েই মূলত আলোচনা হয়। সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র জানিয়েছেন, হাওড়া ও হুগলিতে প্রতি বছর বন্যা হয়৷ লোয়ার দামোদর প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। এমনকি ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্যে টাকা মেলেনি। লোয়ার দামোদর এলাকার বিধায়কদের নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের কাছে স্থায়ী সমাধানের জন্যে সাহায্য চাওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, জল বাড়ার আশঙ্কায় হাওড়া ও হুগলি জেলা প্রশাসনকে বলা হয়েছে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে। ফ্লাড শেল্টার ও রেসকিউ সেন্টার প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। তবে বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্যে একটা স্থায়ী সমস্যার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই, নদী বিশেষজ্ঞ কল্যাণ রুদ্রের নেতৃত্বে একটা কমিটি গঠন হয়েছে। তারা স্থায়ী সমস্যা মেটাতে কাজ করবে বলে রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর৷

অপরদিকে, আগামী ২৬ তারিখের মধ্যেই বাঁধের কাজ শেষ করতে চায় রাজ্য। বিশেষ করে দুই ২৪ পরগণার নদী বাঁধগুলির অবস্থা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উপকূলবর্তী এলাকায় বাঁধ মেরামতির কাজ। সুন্দরবন সহ উপকূলীয় এলাকায় আছে প্রায় ১৮০ কিমি নদী বাঁধ। আগামী ২৬ তারিখের কোটালের আগে চিন্তায় রেখেছে প্রশাসনকে। ফলে কোথাও যাতে কোনও ধরণের ফাঁক না থাকে, সেই কাজ অত্যন্ত তৎপরতার সাথে শুরু করেছে সেচ দফতর।

রাজ্য সেচ দফতর সূত্রে খবর, প্রায় ১৬৫ কিমি নদী বাঁধ মেরামতের কাজ শেষ করে ফেলা হয়েছে। আগামী কয়েকদিনে বাকি কাজ শেষ হয়ে যাবে। ইতিমধ্যেই নবান্ন থেকে সতর্ক করা হয়েছে আগামী ২৬ তারিখের কোটাল নিয়ে। এর পাশাপাশি রাজ্যকে চিন্তায় রেখেছে ডিভিসি। বিহার-ঝাড়খন্ড প্রবল বৃষ্টি হলেই, জল ছাড়বে ডিভিসি৷ তাতেই বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হবে। সেচ মন্ত্রী জানিয়েছেন, "আমরা ক্রমাগত ডিভিসির সাথে কথা বলছি৷ ফ্লাড কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে সেচ দফতরে। ওদের বলা হয়েছে আমাদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে যেন জল ছাড়া হয়।"

Published by:Sanjukta Sarkar
First published: