• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ভয়াবহ আগুন প্লাস্টিকের কারখানায়, চার ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

ভয়াবহ আগুন প্লাস্টিকের কারখানায়, চার ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড চিৎপুরে

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড চিৎপুরে

স্থানীয়রা কালো ধোঁয়া দেখেই ছুটে যান কারখানায়। সচল কারখানায় জন দশেক কর্মীকে তৎক্ষণাৎ উদ্ধার করে পাঠানো হয় অন্যত্র।

  • Share this:

#কলকাতা: চিৎপুরের নয়াপট্টিতে প্লাস্টিকের কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগে সোমবার। আগুন আয়ত্তে আনতে ঘটনাস্থলে পৌছায় পনেরোটি ইঞ্জিন।  সোমবার দুপুর ১২টার কিছু সময় পর থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায় দশ নম্বর নয়াপট্টির কারখানায়। স্থানীয়রা কালো ধোঁয়া দেখেই ছুটে যান কারখানায়। সচল কারখানায় জন দশেক কর্মীকে তৎক্ষণাৎ উদ্ধার করে পাঠানো হয় অন্যত্র।

সোমবার রোজের মতই কারখানার মেশিন চলেছিল চিৎপুরে। মাত্র দুই ঘন্টার মধ্যেই থেমে যায় মেশিনের শব্দ। হটাৎ কালো ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে যায় প্লাস্টিকের বস্তা তৈরির কারখানা। স্থানীয়দের চোখে পড়ে কারখানার একটি জায়গায় আগুন, এলাকার সবাই দৌড়ে কর্মীদের কারখানা থেকে চলে যেতে বলেন। কারখানায় পাশেই বেশ কয়েকটি বসতি থাকায় আতঙ্ক তৈরি হয় স্থানীয়দের মধ্যে। স্থানীয় বাসিন্দার তৎক্ষনাৎ সবাইকে নিজের বাড়ি ছেড়ে বাইরে আসার পরামর্শ দেন। তার মধ্যে খবর যায় দমকল বিভাগে, খবর পেয়েই প্রথমে তিনটি ইঞ্জিন আসে ঘটনাস্থলে। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করে পুরো কারখানা। প্লাস্টিকের মত দাহ্য পদার্থ থাকায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় অসুবিধায় পড়েন দমকলের কর্মীরা। ঘিঞ্জি এলাকা হবার জন্য সমস্যা হয় আগুনের উৎসস্থলে জল দিতে। প্রায় তিনঘন্টার চেষ্টায় দমকলের পনেরোটি ইঞ্জিনের জল দিয়ে আগুন আয়ত্তে আনতে সক্ষম হয় দমকলের কর্মীরা। দুপুর তিনটের পর ঘটনাস্থলে গিয়ে উৎসস্থলের আগুন নিয়ন্ত্রনে এনে পকেট ফায়ার খুঁজতে শুরু করে।

স্থানীয় বাসিন্দা জানান, আগুন লাগার পরেই সবাইকে বাইরে বের করে দেওয়া হয়। অন্য এক ব্যাক্তি বলেন এই নিয়ে তৃতীয় বার আগুন লাগল একই জায়গায়।  দমকলের এক অফিসার জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ঘিঞ্জি এলাকার সমস্যায় পড়তে হয়। কারখানা করার যে সমস্ত দিক দেখে অনুমতি মেলে তার কোনটিই চোখে আসেনি। সোমবার আগুন নিয়ন্ত্রনে আসার পরেও এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছিল অনেক।

Published by:Arka Deb
First published: