মেয়ের পছন্দে বাবার আপত্তি, বিয়ে ভাঙতে ‘কালা জাদু’ আইনে অভিযোগ

File Photo

  • Share this:

     #কলকাতা: ফেসবুকে আলাপ থেকে ভালবাসা। তারপর স্বামী স্ত্রী হিসেবে সংসার। এত সহজ ছিল না শঙ্কর, দর্শিনীর জীবন। বাধ সেধেছিল মেয়ের বাড়ির লোক। কালা জাদু আইনেও অভিযুক্ত করা হয়েছিল শঙ্কর ভট্টাচার্যকে। শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কাটল কালা জাদুর অন্ধকার।

    ফেসবুকে খড়দহের ছেলের সঙ্গে আলাপ থেকে সাত পাঁকে বাধা। নিমরাজি ছিল মুম্বইয়ের বাসিন্দা দর্শিনীর পরিবার। এরপরই মুম্বইয়ের মাতুণ্ডা থানায় খড়দহের বাসিন্দা শঙ্কর ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে মেয়ের পরিবার। তার মধ্যে ছিল,

    যে যে ধারায় অভিযোগ - শঙ্কর ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে আইপিসি ৪২০ (প্রতারণা) - আইপিসি ৩৬৬ (অপহরণ) - মহারাষ্ট্র কালা জাদু আইনের ৫ নম্বর ধারা

    কালা যাদু আইন মোতাবের তদন্ত শুরু করে মহারাষ্ট্র পুলিশ। কালা জাদু আইনে মুম্বই পুলিশের মামলাকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন শঙ্করের স্ত্রী দর্শিনী। হাইকোর্টে তীব্র আপত্তি জানান বিচারপতি দেবাংশু বসাক। দর্শিনীর আইনজীবীর সঙ্গে বাদানুবাদ হয়। ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচারপতি জানান, বিশেষ বিবাহ আইনে বিয়ে করেছেন তাঁরা। দর্শিনী এখন তাঁর আদালতের বিচারপ্রার্থী। কালা জাদু আইন এক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় । এরপরই মুম্বই পুলিশের কালা জাদুর তত্ব উড়িয়ে দিয়ে বিচারপতি নির্দেশে জানান, মুম্বই পুলিশ তদন্তের নামে দর্শিনীর স্বামীকে হেনস্থা করতে পারবে না। হস্তক্ষেপ করতে পারবে না বৈবাহিক জীবনেও ।

    কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের পর বর্তমান সময়ে মহারাষ্ট্রের কালা জাদু আইন নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

    First published: