corona virus btn
corona virus btn
Loading

রবিবার থেকেই জাতীয় সড়কের টোল প্লাজায় ফাস্ট্যাগ

রবিবার থেকেই জাতীয় সড়কের টোল প্লাজায় ফাস্ট্যাগ
আর হাতে টাকা নয়, অনলাইনেই টোল ট্যাক্স মেটানো যাবে।

গোটা দেশের মতো, এই রাজ্যে জাতীয় সড়কের টোল প্লাজাতে চালু হচ্ছে এই বিশেষ পদ্ধতি।

  • Share this:

ABIR GHOSHAL #কলকাতা: ১৫ ডিসেম্বর থেকে রাজ্যে চালু হয়ে যাচ্ছে ফাস্ট্যাগ। গোটা দেশের মতো, এই রাজ্যে জাতীয় সড়কের টোল প্লাজাতে চালু হচ্ছে এই বিশেষ পদ্ধতি। ধাপে ধাপে টোল আদায়ের সমস্ত পরিষেবা ক্যাশলেস করতে চায়, কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রক। এর আগে ফাস্ট্যাগ পদ্ধতি চালু হলেও, তা সকলে ব্যবহার করতেন না। এবার এই পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করতে চায় কেন্দ্র। সে দিকেই ধাপে ধাপে এগোচ্ছে গোটা পদ্ধতিটি। তবে ফাস্ট্যাগ বসাাতে রাজি নয় বাস ইউনিয়ন। তাদের দাবি এর ফলে আর্থিক ভাবে ক্ষতি হবে তাদের। কি এই ফাস্ট্যাগ? এটা এক ধরনের ডিজিটাল ট্যাগ বা স্টিকার। যা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইন্ডেটিফিকেশন পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। গাড়ির সামনের কাঁচের ওপরে থাকবে এই বিশেষ স্টিকার। টোল আদায় কেন্দ্রগুলিতে থাকবে বিশেষ লেন। সেখান দিয়ে গাড়ি যাতায়াতের সময়, ডিজিটাল পদ্ধতিতে টোল আদায় হয়ে যাবে। সময় নষ্ট করে আর টোল প্লাজায় দাঁড়াতে হবেনা। ফলে যাত্রা পথে অনেকটা সময় কমবে বলে জানাচ্ছেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রকের আধিকারিকরা।

তবে গোটা দেশে এই পদ্ধতি চালু হলেও, আমাদের রাজ্যে ফাস্ট্যাগ ব্যবহার কারীর সংখ্যা গাড়ি ব্যবহারকারীদের মাত্র ৩৫ শতাংশ। বিভিন্ন টোল প্লাজায় ক্যাম্প করা হচ্ছে, এছাড়া ২৩টি ব্যাংক থেকে এই ডিজিটাল স্টিকার পাওয়া যাবে বলে জানাচ্ছেন এন এইচ এ আইয়ের সিজিএম আর পি সিং। ফাস্ট্যাগ ব্যবহারকারীদের জন্য থাকছে মাই ফাস্ট্যাগ বলে একটি মোবাইল আপ। সেখান থেকেও রিচারজ করে নেওয়া যাবে। মাত্র ১০০ টাকা দিলেই মিলবে এই ব্যবস্থা। এছাড়া সিকিউরিটি ডিপোজিট বাবদ দিতে হবে ২০০ টাকা। এরপর ব্যবহারকারী নিজের ইচ্ছেমতো রিচারজ করিয়ে নিতে পারবেন। ব্যাংকের সাথে লিংক করিয়ে নিলে সেখান থেকেই ফাস্ট্যাগ রিচারজ হতে থাকবে। আপাতত জাতীয় সড়কের ওপরে থাকা সব টোল প্লাজাতেই থাকছে বিশেষ লেন। যা ন্যাশনাল ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন লেন হিসেবে থাকবে। যারা এখনও ফাস্ট্যাগ হাতে পাননি, তাদের জন্য ১৫ ডিসেম্বর থেকে থাকছে বিশেষ লেন। সেখানে ক্যাশ দিয়েই যাতায়াত করা যাবে। তবে যারা ফাস্ট্যাগ ব্যবহার করবেন না, তারা যদি ওই লেনে ঢুকে যায় তাহলে তাদের দ্বিগুণ টোল দিতে হবে। জাতীয় সড়ক আধিকারিকরা জানাচ্ছেন মার্শাল থাকবে রাস্তায়। যারা লেন চিনিয়ে দেবেন। আর পি সিং জানিয়েছেন, আমরা অবশ্য টোলের ২০০-২৫০ মিটার আগে কিছু লোক রেখে দেব। যারা গাড়িচালকদের লেনের ব্যপারে জানিয়ে দেবেন। যদি কেউ ভুল করে ওই ফাস্ট্যাগ লেনে ঢুকে পড়েন তাহলে তাকে দ্বিগুণ টোল দিতে হবে, বলে জানাচ্ছেন তিনি। ফাস্ট্যাগ ব্যবহার যারা করবেন না তাদের জন্য মাত্র একটি লেন থাকলে যানজট বাড়বে বলে ইতিমধ্যেই এন এইচ এ আই কে জানিয়েছে রাজ্য পরিবহন দফতর। পরিবহন মন্ত্রী বৈঠক করেছেন টোল প্লাজার আধিকারিকদের সাথে। সমস্যা মেটাতে টোল প্লাজায় থাকবে পুলিশ। তবে এই ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হয়ে গেলে টোল প্লাজায় কর্মী ছাঁটাইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এই অভিযোগ মানতে নারাজ জাতীয় সড়কের আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই ফাস্ট ট্যাগ মানতে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন বাস অ্যাসোসিয়েশন এর কর্মীরা। তাদের দাবি এর ফলে বাড়তি টাকা খরচ হবে তাদের। পরিবর্তে তারা টোল প্লাজার আগে অবধি বাস চালাতে চান অথবা বাস নিয়ে যেতে চান ঘুরপথে । তবে এই দো টানায় ভোগান্তি বাডতে চলেছে ।

First published: December 14, 2019, 5:32 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर