৬ বছরের মেয়েকে যৌন নিগ্রহে অভিযুক্ত বাবা, অভিযোগ 'সাজানো' পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

৬ বছরের মেয়েকে যৌন নিগ্রহে অভিযুক্ত বাবা, অভিযোগ 'সাজানো' পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

শৈশব-কে ব্যবহার করে 'সাজানো' যৌন নিগ্রহের অভিযোগে বিস্ময় প্রকাশ হাইকোর্টের।

  • Share this:

ARNAB HAZRA

#কলকাতা: চিকিৎসক দম্পতির সম্পর্কের টানাপোড়েনে আক্রান্ত 'শৈশব'। শৈশব-কে ব্যবহার করে 'সাজানো' যৌন নিগ্রহের অভিযোগে বিস্ময় প্রকাশ হাইকোর্টের। চিকিৎসক বাবাকে জামিনে জেলমুক্তির নির্দেশ বিচারপতি শিবকান্ত প্রসাদের। ঘটনায় হতবাক হাইকোর্ট পাড়া।

হরিদেবপুরের বাসিন্দা চিকিৎসক সপ্তর্ষি ব্যানার্জি থাকেন কাতারে। বিদেশে চিকিৎসার কাজ করেন তিনি। ১১বছর আগে তাঁর বিয়ে হয় চিকিৎসক সুনিপা গাঙ্গুলির সঙ্গে। তাদের ৬ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। গত আড়াই বছর ধরে চিকিৎসক দম্পতির গন্ডগোল চলছিল। বিবাহ বিচ্ছেদ মামলা এখনও বিচারাধীন।

বেহালার এমপি বিড়লা স্কুলের পড়ুয়া তাঁদের মেয়ে। স্কুলে মেয়েকে দেখতে যায় বাবা ৩১শে জুলাই ২০১৯। মেয়ের সঙ্গে দেখা করা নিয়ে স্বামী-স্ত্রী'র আরও একদফা গন্ডগোল হয় ওই দিন। বিবাদ চরমেে ওঠে। বেহালা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন স্ত্রী তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। মারধর, শ্লীলতাহানি সহ একাধিক ধারায় অভিযোগ হয়। ২৭ আগস্ট ২০১৯ বাবার বিরুদ্ধে পকসো আইনে অভিযোগ আনা হয়। নিজের মেয়েকে যৌন নিগ্রহ করেছে বাবা। যৌন নিগ্রহের অভিযোগে চিকিৎসক বাবা গ্রেফতার হন ২৯শে নভেম্বর ২০১৯। এরপর থেকে জেল হেফাজতে ছিলেন তিনি।

কলকাতা হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন চিকিৎসক বাবা। বাবার আইনজীবী তথাগত মজুমদার জানান, 'আলিপুর আদালতে আগাম জামিন নাকচ হওয়াতেই কলকাতা পুলিশ গ্রেপ্তার করে চিকিৎসক সপ্তর্ষি ব্যানার্জিকে। একজন বাবা মেয়েকে দেখা করতে যাওয়া মানে তা যৌননিগ্রহ নয়। এই দিকটাই আদালতের কাছে আমরা তুলে ধরি।'

মামলার সব দিক খতিয়ে দেখে বিচারপতি শিবকান্ত প্রসাদের পর্যবেক্ষণ, "মেয়ে বাবার বিরুদ্ধে যে গোপন জবানবন্দি দিয়েছে, প্রাথমিকভাবে আদালতের তা মনে হচ্ছে সাজানো।"

এরপরই হাইকোর্ট ৩ হাজার টাকার বন্ডে জামিন দেয় বাবাকে। বড়দিনের ছুটি থাকার কারণে জামিন মিলতে দেরি হয় একটু চিকিৎসক বাবার। অবশেষে ২ জানুয়ারি শেষমেস জামিনে জেলমুক্ত হন চিকিৎসক সপ্তর্ষি ব্যানার্জি।

First published: 11:34:49 PM Jan 03, 2020
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर