corona virus btn
corona virus btn
Loading

সিঁথি কাণ্ডে সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ ও খুনের তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে মামলা মৃতের পরিবারের

সিঁথি কাণ্ডে সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ ও খুনের তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে মামলা মৃতের পরিবারের

ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪ ধরার পরিবর্তে ৩০২ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত করার আবেদন পরিবারের

  • Share this:

#সিঁথি: ১০ ফেব্রুয়ারি সিঁথি থানায় পুলিশি হেফাজতে খুন হয়েছেন  রাজকুমার সাউ, এমনটাই বিশ্বাস মৃতের পরিবারের। তাই খুনের স্বপক্ষে যুক্তি জড়ো করে ঘটনার ৮ দিন পর কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করল মৃতের পরিবার। মৃতের ভাই রাকেশ সাউ মঙ্গলবার মামলা দায়ের করেন হাইকোর্টে। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের বেঞ্চে দায়ের হয়েছে মামলা। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ আনা হয়েছে মামলায়।

পুলিশ থানায় ডেকে পাঠিয়ে কার্যত খুন করেছে রাজকুমারকে, এমনই যুক্তি দেখানো হয়েছে হাইকোর্টের মামলার আবেদনপত্রে। তাই একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে গোটা ঘটনার বিচারবিভাগীয় অনুসন্ধানের আবেদন রাখা হয়েছে মামলায়। একাধিক নতুন নথিও আদালতে দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪ ধরার পরিবর্তে ৩০২ ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত করার আবেদন পরিবারের । রাজকুমার বাবুর মৃত্যুর পর আশুরা বিবির বয়ান বদলে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে পরিবার। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। মৃত্যুর দিন আশুরা বিবির বয়ান, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বদলে গেল কীভাবে?  কোনও প্রভাব কাজ করেছে?  চুরির কোনও অভিযোগ থানায় সরকারিভাবে না হলেও, কীভাবে পুলিশ অতি সক্রিয় হয়ে রাজকুমার সাউকে থানায় ডেকে পাঠাল ?  এমনই একাধিক প্রশ্ন খুনের কথা ভাবতে বাধ্য করছে পরিবারকে, জানাচ্ছেন পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ চট্টোপাধ্যায়।

পরিবারের নিরাপত্তা চাওয়া হয়েছে মামলায়। পাশাপাশি মৃতের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আবেদনও রাখা হয়েছে । আগামী সপ্তাহে মামলার শুনানির সম্ভাবনা। প্রসঙ্গত সিঁথি থানার হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় ১১ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতির অনুমতিতে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন উত্তম বসাক। সেই মামলায় ইতিমধ্যেই রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছে আদালত। হেফাজতে মৃত্যু হওয়ায় ইতিমধ্যে বিচারবিভাগীয় অনুসন্ধান শুরু করেছে রাজ্য। শিয়ালদহ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বলরাম হাজরা ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল, সিঁথি থানা পরিদর্শন করেছেন। একাধিক বয়ান গ্রহণ করেছেন তিনি।

ARNAB HAZRA

First published: February 18, 2020, 8:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर