• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • সহানুভূতিতে ভোট বৈতরণী পার?মৃত নেতাদের পরিবারে টিকিট ঢুকল বিজেপির!

সহানুভূতিতে ভোট বৈতরণী পার?মৃত নেতাদের পরিবারে টিকিট ঢুকল বিজেপির!

বিজেপির কৌশল

বিজেপির কৌশল

গেরুয়া শিবিরের টিকিট নিয়ে এবার ভোটের ময়দানে নামছেন হেমতাবাদের প্রয়াত বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের স্ত্রী চন্দ্রিমা রায় ও টিটাগড়ের প্রয়াত বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লার বাবা চন্দ্রমণি শুক্লা।

  • Share this:

    #কলকাতা: বাংলার শেষ চার দফার প্রার্থী তালিকা যেদিন ঘোষণা করল বিজেপি, সেদিনই পুরুলিয়ার জনসভায় দলের রাজনৈতিক শহিদ পরিবারের সদস্যদের গলায় উত্তরীয় পরিয়ে দিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অর্থাৎ, বার্তা স্পষ্ট, বাংলার রাজনৈতিক অশান্তিতে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারকেও বিজেপি আগলে রাখতে জানে। আর সেই সূত্র মেনেই এবার দুই শহিদ পরিবারে ভোটের টিকিটও দিল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের টিকিট নিয়ে এবার ভোটের ময়দানে নামছেন হেমতাবাদের প্রয়াত বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের স্ত্রী চন্দ্রিমা রায় ও টিটাগড়ের প্রয়াত বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লার বাবা চন্দ্রমণি শুক্লা।

    গত বছর গত ১৩ জুলাই বাড়ি থেকে ১ কিলোমিটার দূরে হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়কের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। পরিবার ও দলের দাবি, খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়কে। যদিও প্রাথমিক তদন্তের পর উত্তর দিনাজপুর জেলা পুলিশের দাবি ছিল, আত্মঘাতী হয়েছেন দেবেনবাবু। সেই ঘটনার পর রাজ্যজুড়ে আন্দোলনেও নেমেছিল বিজেপি। উঠেছিল সিবিআই তদন্তের দাবিও। কিন্তু আদালত এখনও তাতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়নি। এই পরিস্থিতিতে দেবেন্দ্রনাথ রায়ের স্ত্রী চন্দ্রিমা রায়কে প্রার্থী করল বিজেপি।

    অপরদিকে, গতবছরই ৪ অক্টোবর রাতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার টিটাগড় পুরসভার বিদায়ী কাউন্সিলর মণীশ শুক্লা (৩৯) খুন হন। টিটাগড় থানা থেকে ১০০ মিটার দূরত্বে এই খুনের ঘটনাটি ঘটেছিল। বাইক আরোহী দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি করেছিল টিটাগড়ের এই বিজেপি নেতাকে। পুলিশ এই খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও আগ্নেয়াস্ত্র ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করে। গ্রেফতারও করা হয় কয়েকজনকে। সেই ঘটনাতেও বিজেপির অভিযোগের তির ছিল তৃণমূলের দিকে। যদিও তা প্রমাণিত হয়নি এখনও। এবার ব্যারাকপুর কেন্দ্রে মনীশ শুক্লার বাবা চন্দ্রমণি শুক্লাকে প্রার্থী করল বিজেপি। ওই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের মৃত নেতাদের পরিবারের সদস্যদের টিকিট দিয়ে আসলে বিজেপি রাজ্যের 'ভেঙে পড়া' আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ফের যেমন প্রচার শুরু করবে, তেমনি মৃত নেতাদের কথা বলে সহানুভূতির ভোট আদায়ের পথও খোলা থাকবে। বিজেপির সেই স্ট্র্যাটেজি আদৌ ভোট-বাজারে খাটে কিনা, সেটাই এখন দেখার।

    Published by:Suman Biswas
    First published: