corona virus btn
corona virus btn
Loading

Coronavirus | করোনা আতঙ্কে হাসপাতালে আসা রোগীর মৃত্যু, মৃতদেহ নিয়ে পালাল পরিবার

Coronavirus | করোনা আতঙ্কে হাসপাতালে আসা রোগীর মৃত্যু, মৃতদেহ নিয়ে পালাল পরিবার

হাসপাতাল সূত্রে খবর, এক্স রে করার আগেই এক্স রে ঘরের বাইরে রোগী মারা যান। এরপরই সকলের অগোচরে দেহ নিয়ে চম্পট দেয় মৃতের পরিবার।

  • Share this:
#কলকাতা: সোমবার  সকাল ১১ টা নাগাদ শিয়ালদহ এনআরএস হাসপাতালের জরুরী বিভাগে মুর্শিদাবাদ থেকে এক ব্যক্তি শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে আসেন। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা রোগীকে বুকের এক্সরে করে নিয়ে আসতে বলেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, এক্স রে করার আগেই এক্স রে ঘরের বাইরে রোগী মারা যান। এরপরই সকলের অগোচরে দেহ নিয়ে চম্পট দেয় মৃতের পরিবার। বিষয়টি নজরে আসতেই তড়িঘড়ি এন্টালী থানাকে জানানো হয় এনআরএস হাসপাতালের পক্ষ থেকে। হাসপাতালের রেকর্ড ঘেঁটে দেখা যায়, ৫৭ বছর বয়সি এই ব্যক্তি ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন দীর্ঘদিন ধরে। এনআরএস হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলত। মৃতদেহ এবং তার পরিবারের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ। তবে এই ঘটনার জেরে   চূড়ান্ত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা হাসপাতাল জুড়ে। এমনিতেই গত কয়েকদিন ধরে এই হাসপাতালের আইশোলেশন ওয়ার্ডে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে ভর্তি থাকা রোগী মৃত্যুর জন্য এক আতঙ্কের পরিবেশ চলছে। সেখানে এদিনের এই ঘটনা সেই আতঙ্ক আরো বাড়িয়ে তুললো, তা বলাই বাহুল্য। এদিকে এই ঘটনার পরই এন এর এস হাসপাতালের জরুরী বিভাগ এবং এক্সরে রুম জীবাণু মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে হাসপাতালের তরফে।হাসপাতালের এক ডেপুটি সুপার জানিয়েছেন,গোটা হাসপাতাল জুড়ে চূড়ান্ত আতঙ্ক চলছে। যখন থেকে এই হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে রোগীরা ভর্তি হচ্ছে এবং দিন সাতেক আগে যখন প্রথম একজন রোগী মারা যায়,তার পরই রোগী এবং তাদের পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক দানা বেঁধেছে।
এরই মাঝে গত শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা মহেশতলার বাসিন্দা ৪২ বছর বয়সী এক ব্যক্তি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন মারা যায়। মৃত্যুর আগেই তার লালা রসের নমুনা করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরে সেই পরীক্ষার রিপোর্টে জানা যায়,ওই ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত ছিলেন। হাসপাতালের জেনারেল মেডিসিন বিভাগে প্রথমে ভর্তি ছিলেন ওই ব্যক্তি,পরে করোনার উপসর্গ শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ায় তার লালা রসের নমুনা পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়। যদিও এর জন্য হাসপাতালের ৭৩ জন চিকিৎসক,নার্স,সাফাই কর্মীকে হোম quarantine বা গৃহ পর্যবেক্ষণে পাঠানো হয়েছে। ফলে এদিনের এই মৃতদেহ নিয়ে পালানোর ঘটনায় আরও ভয় ছড়িয়েছে গোটা হাসপাতালে। Abhijit Chanda
First published: April 6, 2020, 8:43 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर