• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • FAKE IAS OFFICER DEBANJAN DEB CHEATED PROMOTERS ASSURING KMC TENDER SDG

Fake IAS Debanjan Deb: পুরসভার টেন্ডার পাইয়ে দিতে লক্ষ লক্ষ টাকা! দেবাঞ্জনের খপ্পরে প্রোমোটাররাও

দেবাঞ্জন দেব।

চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার পাশাপাশি উঠে এসেছে টেন্ডার পাইয়ে দিতে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ। ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবের জালে পড়েন প্রোমোটাররা।

  • Share this:

    #কলকাতা: 'নীল' বাতি লাগানো দামি গাড়িতে যাতায়াত, অতি বিলাসবহুল জীবনযাপন, সমাজ সেবামূলক কাজ, মাসিক ৬৫ হাজার ভাড়ার অফিস, কর্মীদের মাইনে কোথা থেকে আসে? ভুয়ো IAS আধিকারিক দেবাঞ্জনের টাকার উৎস কী? এ নিয়ে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা প্রকাশ্যে আসতেই  চর্চা শুরু হয়েছিল। দেবাঞ্জনকে গ্রেফতারের পর তাকে জেরা করে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেখানেই চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার পাশাপাশি উঠে এসেছে টেন্ডার পাইয়ে দিতে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ। জালে পড়েন প্রোমোটাররা।

    সোমবার তিন প্রতারিত প্রোমোটারকে লালবাজারে তলব করেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এই ৩ প্রোমোটারের থেকে টাকা আদায় করেন দেবাঞ্জন। ৩ জনের থেকে যথাক্রমে ৪০ লক্ষ, ৩০ লক্ষ ও ২৬ লক্ষ টাকা আদায় করে সে। কিন্তু কীসের অন্য টাকা দিয়েছিলেন তাঁরা? সেখানেও কি IAS হিসেবে হুমকি দিয়েছিল দেবাঞ্জন? নাকি অন্য কোনও কারণে সেই টাকা দিয়েছিলেন তাঁরা? তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রমোটারদের পাশাপাশি আজ দুই ব্যাঙ্ক আধিকারিককেও তলব করেছেন গোয়েন্দারা।

    গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে, চাকরির পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রতারণার পাশাপাশি, পুরসভার টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার নামে শহরের মাঝারি মাপের নির্মাণ সংস্থারগুলিকে প্রতারণার অভিযোগ উঠে এসেছে। নিজেকে পুরসভার জয়েন্ট কমিশনার পরিচয় দিয়ে প্রতারণা জাল ফাঁদেন দেবাঞ্জন। আজ ৩ জন প্রমোটারের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। এই তিনজনের কাছ থেকে ৪০ লাখ, ৩০ লাখ ও ২৬ লাখ টাকা নিয়েছে ধৃত দেবাঞ্জন।  পরে প্রোমোটারদের টার্গেট করত দেবাঞ্জন।তাঁদের মঝ্যেই রয়েছেন এই তিনজন। তিনজনের কাছ থেকে ৪০ লক্ষ, ৩০ লক্ষ এবং ২৬ লক্ষ টাকা।

    এ দিকে, ২০২০-র সেপ্টেম্বরে একটি ডোমেন কেনেন দেবাঞ্জন। পুরসভার ভুয়ো ই-মেল আইডি খুলতেই ডোমেন কিনেছিলেন বলে জেরায় স্বীকার করেছে দেবাঞ্জন। deputymanager@kmcgov.org নামে ভুয়ো ই-মেল আইডি তৈরি করা হয়। তবে ই-মেল আইডি করলেও ওয়েবসাইট তৈরি করেননি। বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে ই-মেল আইডিতে '.org' ব্যবহার করেছিল। deputy manager@kmcgov.org -এই মেল আইডি তৈরী হয় নভেম্বর মাসে। তার দুই মাস আগে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাসে ডোমেন কেনে দেবাঞ্জন দেব। দুই মাস পরে সেই ডোমেন থেকে ই-মেল আইডি তৈরি করা হয়। প্রসঙ্গত, লকডাউনে যখন সবাই গৃহবন্দী তখনই ডোমেন কেনে দেবাঞ্জন। যখন মাস্ক ও স্যানিটাইজারের চাহিদা তুঙ্গে এই ভুয়ো আই-ডি তৈরী করে বিভিন্ন ব্যাবসায়ীদের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা অরজন করে সমাজসেবার নামে।

    তথ্য সহায়তাঃ সুকান্ত মুখোপাধ্যায়। 

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: