corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘দলে আমাদের কোনো সম্মান নেই, কাউন্সিলররা তোলাবাজি দুর্নীতি অত্যাচার চালাচ্ছে’, অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের পুরনো নেতাদের

‘দলে আমাদের কোনো সম্মান নেই, কাউন্সিলররা তোলাবাজি দুর্নীতি অত্যাচার চালাচ্ছে’, অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের পুরনো নেতাদের

প্রথমে দিদিকে বলো, তারপরে বাংলার গর্ব মমতা। কলকাতা, হাওড়া, শিলিগুড়ি পুরসভা ভোটের আগে বাংলার গর্ব মমতা কর্মসূচিকে সামনে আনা হয়। রবিবার এই কর্মসূচির অন্তর্গত স্বীকৃতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল গোটা রাজ্যজুড়ে।

  • Share this:

#কলকাতা: ২০১৯ এর লোকসভা ভোটের ফলাফলে শুরু হয় রক্তক্ষরণ। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে আসে বিজেপি। এরপরই শুরু হয় শুদ্ধিকরণ। প্রশান্ত কিশোর বা পিকের ফর্মুলায় নতুন করে দলকে গোছাতে শুরু করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে দিদিকে বলো, তারপরে বাংলার গর্ব মমতা। কলকাতা, হাওড়া, শিলিগুড়ি পুরসভা ভোটের আগে বাংলার গর্ব মমতা কর্মসূচিকে সামনে আনা হয়। রবিবার এই কর্মসূচির অন্তর্গত স্বীকৃতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল গোটা রাজ্যজুড়ে।তৃণমূল কংগ্রেসের পুরনো বসে যাওয়া কর্মীদের সংবর্ধনা এবং আবার দলে ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যেই এই স্বীকৃতি সম্মেলন।

যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের সাপুইপারা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে রবিবার স্বীকৃতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ মণীশ গুপ্ত। আর তার সামনে একের পর এক দলীয় কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। "বাড়ির মধ্যে থাকা সজনে গাছ কাটতে গেল দলীয় কাউন্সিলরকে ১৬,০০০ টাকা দিতে হচ্ছে, আর কোনরকম নতুন বাড়ি বা নির্মাণ কাজে হাত দেওয়া মানে তো হয়েই গেল! বহুতল বানানোর জন্য একটা গোটা সবজি বাজার উঠিয়ে দেওয়া হল, যার জন্য ১৫০ জন সবজি বিক্রেতাকে এলাকা ছাড়া হতে হয়। ৮০ বছরের বৃদ্ধকে জলের জন্য কাউন্সিলরের বাড়িতে গেলে অশ্রাব্য ভাষায় চূড়ান্ত অপমান। একের পর এক অভিযোগের ফিরিস্তি। এলাকায় চলছে মাৎসন‍্যায়। সন্ধ্যার পর বিভিন্ন এলাকায় মহিলাদের রাস্তায় বেরোনো সমস্যা হয়ে যাচ্ছে, বহিরাগত সমাজবিরোধীদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হচ্ছে গোটা এলাকা। মদ, গাঁজা, ড্রাগসের বিক্রি চলছে অবাধে।"

২০১১ র পর দলে এতটাই বেনোজল ঢুকেছে, যে পুরনো কর্মীদের একের পর এক মিথ্যে কেস দেওয়া হচ্ছে,ভুয়ো অভিযোগে পুরনো কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। প্রাক্তন মন্ত্রী তখন রীতিমত বিব্রত।একের পর এক কর্মী যারা আক্ষেপ করছেন,দল যদি এভাবে চলতে থাকে, তবে যাদবপুরের বেশিরভাগ ওয়ার্ডে আগামী পুরসভা ভোটে দলীয় প্রার্থীর পরাজয় হবে।মূলত অভিযোগের তীর ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনন্যা চট্টোপাধ্যায়, ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মধুমিতা চক্রবর্তীর দিকে।

এদিনের এই স্বীকৃতি সম্মেলনে অবশ্য এলাকার কোন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন না। ফলে খোলা মনে সমস্ত অভাব অভিযোগ করেন পুরনো বসে যাওয়া কর্মীরা। যদিও প্রাক্তন মন্ত্রী মণীশ গুপ্ত জানান, দলীয় কর্মীদের অভাব-অভিযোগ থাকতেই পারে, তার জন্যই এই বৈঠক। দল সবাইকে নিয়ে চলবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শ নিয়ে আগামী দিনে মানুষের ভালো করবে পুরনো।পুরনো বসে যাওয়া বিক্ষুব্ধ কর্মীরা অবশ্য এক বাক্যে স্বীকার করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতি তাদের কোনো অনুযোগ নেই। কিন্তু একশ্রেণীর নেতাকর্মীরা যে ঔদ্ধত্য,অত্যাচার চালাচ্ছে তাতে সততার সঙ্গে রাজনীতি করা একপ্রকার অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

Avijit Chanda

Published by: Elina Datta
First published: March 15, 2020, 10:05 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर