EXCLUSIVE: নারদকাণ্ডে ম্যাথু-ইকবালের সেতু টাইগার মির্জা, কে সে?

মঙ্গলবার খানাকুলের তৃণমূল বিধায়ক তথা কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র ইকবাল আহমেদের জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে উঠে আসে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য ও একটি নাম, তাজদার মির্জা ৷ তাঁর খোঁজে নামে কলকাতা পুলিশের SIT ৷

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jul 20, 2016 05:43 PM IST
EXCLUSIVE: নারদকাণ্ডে ম্যাথু-ইকবালের সেতু  টাইগার মির্জা, কে সে?
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jul 20, 2016 05:43 PM IST

#কলকাতা: মঙ্গলবার খানাকুলের তৃণমূল বিধায়ক তথা কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র ইকবাল আহমেদের জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে উঠে আসে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য ও একটি নাম, তাজদার মির্জা ৷ তাঁর খোঁজে নামে কলকাতা পুলিশের SIT ৷

এসএমএইচ মির্জার পরে নারদ কাণ্ডের তদন্তে সমন পেয়ে মঙ্গলবার লালবাজারে হাজিরা দেন ইকবাল মির্জা ৷ কলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব মজুমদার সহ SIT-এর বাকি তদন্তকারীদের উপস্থিতিতে টানা দু’ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ৷ জেরা পর্বে ইকবাল জানায়, তাজদার মির্জা নামে এক ব্যাক্তির নাম নেন ইকবাল ৷ লালবাজার সূত্রে খবর, নারদকাণ্ডে এই ব্যক্তির কী ভূমিকা তা জানতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাজদার মির্জাকে ডেকে পাঠাবে SIT ৷

নারদকাণ্ডে আমাদের অন্তর্তদন্তে বলছে, ম্যাথু স্যামুয়েল ও ইকবালের মধ্যের যোগাযোগের সেতু এই তাজদার মির্জা ওরফে টাইগার মির্জা ৷ ইকবালের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ম্যাথু স্যামুয়েলের সঙ্গে ইকবাল আহমেদের পরিচয় করিয়ে দেন এই মির্জা। নারদ তদন্তে নাম উঠে আসার পর থেকে গা-ঢাকা দিয়েছেন তিনি।

নারদকাণ্ডে অভিযুক্ত বিধায়ক ইকবাল আহমেদের পরিচিত এক ব্যক্তি। এই রহস্যময় ব্যক্তির কথা প্রথম জানা গিয়েছে মঙ্গলবার ৷ আমাদের অন্তর্তদন্তে উঠে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। ৫৭ রিপন স্ট্রিটের বাসিন্দা টাইগার। ফ্ল্যাট নম্বর ওয়ান এফ। আগে স্যান্ডেল স্ট্রিটে থাকত মির্জা পরিবার। গত ২৭ বছর তারা এই এখানকার বাসিন্দা। সিপিএম নেত্রী আনোয়ারা মির্জার ছেলে, ৪২ বছরের টাইগার মাদ্রাসার কর্মী। বেনামে প্রোমোটিংয়ের সঙ্গে যুক্ত।

রিপন স্ট্রিটের ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি পৌঁছাতেই জবাব এল, ‘না, বাড়িতে টাইগার নেই।’ নারদকাণ্ডে নাম উঠে আসতেই বেপাত্তা টাইগার। বাড়ির সদস্যরা মুখ খুলতে রাজি নন। এমনকী আবাসনের নিরাপত্তারক্ষীও বিশেষ নির্দেশে মুখে কুলুপ এঁটেছেন ।

Loading...

তাজদারকে ঘিরে অনেক প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে। টাইগার কেন ম্যাথুকে ইকবালের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর কী স্বার্থ ছিল এতে। হঠাৎ কেন গা-ঢাকা দিলেন টাইগার। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কলকাতা পুলিশের সিট। দ্রুত তলব করা হতে পারে টাইগারকে। টাইগার ওরফে তাজদারের কাছ থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের হদিশ পাওয়া যাবে বলে গোয়েন্দাদের অনুমান ৷ তাজদারের বয়ান থেকেই হয়ত পৌঁছানো যাবে নারদকাণ্ডের গভীরে ৷

আরও পড়ুন.. 

EXCLUSIVE: টানা দু’ঘণ্টার জেরায় ইকবালের থেকে মিলল নারদকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র

গত ১৭ জুন নবান্নে বিশেষ বৈঠকের পর কলকাতা পুলিশের হাতে নারদ স্টিং কাণ্ডের তদন্তভার তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পর থেকেই তৎপরতার সঙ্গে তদন্তে নেমে পড়ে কলকাতা পুলিশ ৷ তদন্তের জন্য সিপি রাজীব কুমারের নেতৃত্বে SIT গঠন করে কলকাতা পুলিশ ৷ এছাড়া টিমে রয়েছেন জয়েন্ট সিপি (ক্রাইম) বিশাল গর্গ, কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইমের ওসি এবং ইকনমিক অফেন্স উইং শাখার ওসি-সহ কয়েকজন কর্তা ৷

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের মুখে প্রকাশিত হওয়া নারদ ভিডিও ক্লিপ রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের ঢেউ তোলে ৷ ভিডিও ক্লিপটিতে তৃণমূলের ১১ জন শীর্ষ নেতা- নেত্রীদের লক্ষ লক্ষ টাকা নিতে দেখা যায় ৷ এই ক্লিপ নিয়েই ভোটের আগে তৈরি হয় প্রবল বিতর্ক ৷ শাসক দলের বিরুদ্ধে একযোগে আক্রমণ শানান বিরোধীরা ৷

দক্ষিণের সংবাদ সংস্থা নারদ ডট কম দাবি করেন, এই ভিডিও একদম খাঁটি ৷ ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে এই স্টিং অপারেশনটি তারা করেছিলেন বলে দাবি করেন সংস্থার কর্ণধার ম্যাথু স্যামুয়েল ৷

First published: 05:43:35 PM Jul 20, 2016
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर