কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

স্বাভাবিক হচ্ছে জনজীবন, করোনার আগে বিদ্যুতের যে চাহিদা ছিল তা ফের ফিরল চলতি মাসে

স্বাভাবিক হচ্ছে জনজীবন, করোনার আগে বিদ্যুতের যে চাহিদা ছিল তা ফের ফিরল চলতি মাসে

মার্চ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে WBSEDCL এবং CESC এলাকা মিলে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৮,০০০ মেগাওয়াটের বেশি। লকডাউন শুরু হতেই সেই চাহিদা এক ধাক্কায় ২২ শতাংশ কমে যায়।

  • Share this:

SOUJAN MONDAL

#কলকাতা: আবার আগের জায়গায় ফিরে এল বিদ্যুতের চাহিদা। লকডাউন শুরু হওয়ার আগে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজ্য জুড়ে বিদ্যুতের যে চাহিদা ছিল, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে আবার একই অঙ্কে পৌঁছেছে বিদ্যুতের চাহিদা। রাজ্য বিদ্যুৎ দফতরের হিসেবে মার্চ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে রাজ্য জুড়ে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল প্রায় ৮০০০ মেগাওয়াট। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুতের চাহিদা আবার একই জায়গায় পৌঁছেছে।

করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় মার্চ মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছিল লকডাউন। তারপর টানা কয়েক মাস লকডাউন চলে। জুলাই মাস থেকে ধাপে ধাপে আনলক প্রক্রিয়া শুরু করে সরকার। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে জনজীবন। কিন্তু তারপরেও কোভিড প্রটোকল মেনে সীমিত সংখ্যক লোক নিয়ে শুরু হয় কাজ কর্ম।

কিন্তু লকডাউন শুরু হতেই রাজ্য জুড়ে এক ধাক্কায় কমে যায় বিদ্যুতের চাহিদা। মার্চ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে  WBSEDCL এবং CESC এলাকা মিলে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৮,০০০ মেগাওয়াটের বেশি। লকডাউন শুরু হতেই সেই চাহিদা এক ধাক্কায় ২২ শতাংশ কমে যায়। মঙ্গলবার বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে আবার বিদ্যুতের চাহিদা রাজ্যজুড়ে করোনা পূর্ববর্তী অংকে পৌঁছেছে। এপ্রিল, মে, জুন মাসে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল সবচেয়ে কম। জুলাই মাসের শুরুর দিক থেকে চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে।

চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে রাজ্যজুড়ে আবার ৮ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছে গিয়েছে। ওই সপ্তাহে WBSEDCL এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬৪১০ মেগাওয়াট। আর CESC এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল প্রায় ১৬০০ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ মন্ত্রী বলেন, 'করোনার জন্য অফিস, কলকারখানা বন্ধ থাকলেও মানুষ বাড়িতে ছিলেন। ফলে ইন্ডাস্ট্রিয়াল চাহিদা কম থাকলেও ডোমেস্টিক চাহিদা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।'

পাশাপাশি মন্ত্রী আরও বলেন, 'করোনা এবং আম্ফান এই দুয়ের জন্য আমরা ১০০ শতাংশ মানুষ দিয়ে কাজ করতে পারছি না। তারপরও এ বার পুজোয় বিদ্যুতের এক মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি যাতে না হয়, তার জন্য সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।'  যদিও এ বার অনেক পুজো কমিটি ছোট ভাবে পুজো করবে বলে জানিয়েছে। তারপরও বিদ্যুৎ দফতরের অনুমান, এ বার পুজোয় ষষ্ঠীর দিন সবচেয়ে বেশি ৮৪১৪ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা হতে পারে। তার জন্য সব রকম প্রস্তুতি রাখছে রাজ্য বিদ্যুৎ দফতর।

Published by: Simli Raha
First published: September 22, 2020, 7:16 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर