EC notice to Dilip Ghosh: 'জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি' মন্তব্যে এবার বিপাকে দিলীপ, কাল সকাল দশটা পর্যন্ত সময়!

EC notice to Dilip Ghosh: 'জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি' মন্তব্যে এবার বিপাকে দিলীপ, কাল সকাল দশটা পর্যন্ত সময়!

বিপাকে দিলীপ

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে বিতর্কিত মন্তব্যের কারণ ব্যাখ্যা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় তাঁর বিরুদ্ধে কমিশন একতরফা সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • Share this:

    #কলকাতা: কোচবিহারের শীতলকুচিতে (Sitalkuchi Firing) কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Forces) গুলিতে চার গ্রামবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় এখনও উত্তাল রাজ্যরাজ্যনীতি। চতুর্থ দফা ভোটের দিন ঘটে যাওয়া ওই মর্মান্তিক ঘটনাকে 'গণহত্যা' বলে দাবি করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নিশানা করছেন বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে। যদিও ওই ঘটনায় তৃণমূল নেত্রীর 'ছাপ্পা ভোট মাস্টারপ্ল্যান'কেই দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এমন কী মমতা যার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সরব, সেই অমিত শাহও কাঠগড়ায় তুলেছেন মমতার 'প্ররোচনাকেই'। কিন্তু প্রতিপক্ষকে আক্রমণ শানাতে গিয়ে হুমকির বাধ ভেঙে ফেলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। আর সেই প্রেক্ষিতে এবার নির্বাচন কমিশনের নোটিশের মুখে পড়লেন দিলীপ নিজেই। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে বিতর্কিত মন্তব্যের কারণ ব্যাখ্যা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় তাঁর বিরুদ্ধে কমিশন একতরফা সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকী দিলীপ ঘোষের উত্তরে সন্তুষ্ট না হলেও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

    রবিবার বরানগরে দলীয় প্রার্থী পার্নো মিত্রের (Parno Mitra) সমর্থনে জনসভা থেকে দিলীপ হুমকির সুরে বলেন, 'দুষ্টু ছেলেরাই গুলি খেয়েছে কোচবিহারের শীতলকুচিতে। সবে শুরু হয়েছে। এটা সারা বাংলায় হবে। কেউ বাড়াবাড়ি করলে জায়গায় শীতলকুচি হবে।' দিলীপের এই মন্তব্যের পরেই শোরগোল পড়ে যায়। তাঁর বিরুদ্ধে কমিশনে যায় তৃণমূলও। তাঁর প্রচার নিষিদ্ধ ও তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলার আবেদন করা হয়। সেই প্রেক্ষিতেই এবার নোটিশ গেল বিজেপির রাজ্য সভাপতির কাছে।

    প্রসঙ্গত দিলীপ ঘোষই নন, বিজেপি নেতা তথা হাবড়ার দলীয় প্রার্থী রাহুল সিনহা (Rahul Sinha) শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেন, 'শীতলকুচিতে ৪ জন নয়, ৮ জনকে গুলি করে মারা উচিৎ ছিল।' সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার থেকেই রাহুল সিনহার প্রচারে ৪৮ ঘণ্টা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কমিশন।

    অপরদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারেও ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই কলকাতার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসেছেন তৃণমূল নেত্রী। যদিও এদিন রাত আটটার পর, নিষেধাজ্ঞা ওঠা মাত্রই বারাসাত ও বিধাননগরে দুটি সভা করবেন তিনি।

    Published by:Suman Biswas
    First published: