• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ELECTION COMMISSION BARS POLITICAL LEADERS FROM ENTERING COOCHBEHAR IN NEXT 72 HOURS DMG

Coochbehar Firing Update: ৭২ ঘণ্টা কোচবিহারে ঢুকতে পারবেন না কোনও নেতা, নির্দেশ কমিশনের! যেতে পারবেন না মমতাও

দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক এবং বিবেক দুবের রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন৷

দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক এবং বিবেক দুবের রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন৷

  • Share this:

    #কলকাতা: আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কোচবিহারে প্রবেশ করতে পারবেন না কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা৷ মাথাভাঙা কাণ্ডের জেরে এই নির্দেশ জারি করল নির্বাচন কমিশন৷ অবিলম্বে এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে৷ আগামিকাল, রবিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শীতকুচির জোড়াপাটকির ওই গ্রামে যাওয়ার কথা৷ যদিও নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশিকার অনুযায়ী, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কোচবিহারে ঢুকতে পারবেন না কোনও রাজনৈতিক নেতাই৷ ফলে মুখ্যমন্ত্রীর সফর বাতিল হল বলেই ধরে নেওয়া যায়৷ এ দিনই শিলিগুড়ি পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী৷

    দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক এবং বিবেক দুবের রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন৷ ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামিকাল থেকেই বেশ কয়েকটি দলের নেতারা নিহত এবং আহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে ওই এলাকায় যেতে পারেন৷ যার ফলে এলাকায় উত্তেজনা বেড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে৷ তার উপর নিহতদের শেষকৃত্য়ও এখনও সম্পন্ন হয়নি৷ ফলে, রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক৷ আর এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আগামী ৭২ ঘণ্টা রাজনৈতিক নেতাদের কোচবিহারে প্রবেশের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে৷

    এর পাশাপাশি মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি সহ জেলা প্রশাসনকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পর্যাপ্ত রাজ্য পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে৷ মুখ্যসচিব এবং ডিজি-কে ওই এলাকায় যেতেও বলেছে নির্বাচন কমিশন৷ কোচবিহার জেলার পরিস্থিতি কী রকম থাকে, সে সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনকে আগামী ৭২ ঘণ্টায় নিয়মিত ভাবে অবহিত করবেন দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে এবং অজয় নায়েক৷ পাশাপাশি পঞ্চম দফার নির্বাচনেও ভোটগ্রহণের ৭২ ঘণ্টা আগে প্রচার শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন৷ কোচবিহার কাণ্ডের পর শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট করতেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

    এ দিন জেলা প্রশসানের তরফেও কমিশনে যে রিপোর্ট জমা পড়েছে, তাতে শীতলকুচির ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ক্লিনচিটই দেওয়া হয়েছে৷ জেলা প্রশাসনের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গ্রামবাসীরাই ঘরে থাকা বিভিন্ন ধারালো সরঞ্জাম নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ঘিরে ধরে আক্রমণ করেছিল৷ ফলে নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করতেই গুলি চালাতে বাধ্য হন সিআিএসএফ জওয়ানরা৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: