নারদা কাণ্ডে ফের ফিরহাদ, প্রসূণ, মদনকে নোটিস ইডি-র, চাওয়া হল সম্পত্তির হিসেব

নারদা কাণ্ডে ফের ফিরহাদ, প্রসূণ, মদনকে নোটিস ইডি-র, চাওয়া হল সম্পত্তির হিসেব
আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যেই এই সব তথ্য নিয়ে হাজির হতে হবে ইডির কাছে, নোটিসে এমনই জানানো হয়েছে৷

আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যেই এই সব তথ্য নিয়ে হাজির হতে হবে ইডির কাছে, নোটিসে এমনই জানানো হয়েছে৷

  • Share this:

    #কলকাতা: নারদকাণ্ডে ফের ইডির নোটিস তৃণমূল নেতাদের৷ ফিরাদ হাকিম সহ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় ও মদন মিত্রকে তাঁদের সম্পত্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জমা দেওয়ার নোটিশ পাঠানো হয়েছে৷ প্রসঙ্গত এঁদের সকলের সম্পত্তি, সব আয় ব্যয়ের সম্পূর্ণ তথ্য এবং এঁদের নামে থাকা সব অ্যাকাউন্টের হিসেব নিকেশ পুঙ্খানুপুঙ্খ জমা দিতে হবে ইডির কাছে৷ আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যেই এই সব তথ্য নিয়ে হাজির হতে হবে ইডির কাছে, নোটিসে এমনই জানানো হয়েছে৷ এর আগেও একাধিকবার তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতাদের থেকে নানা তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছিল ইডি৷

    উল্লখ্য কিছুদিন আগেই গরু পাচারের তদন্তে এক বিএসএফ কমান্ডারকে গ্রেফতার করে সিবিআই৷ তাঁকে জেরা করে জানা গিয়েছে যে, গরু পাচার থেকে যে টাকা আসে তার ভাগ যায় রাজনৈতিক নেতাদের কাছে৷ অর্থাৎ গরু পাচার কাণ্ডে কোন কোন হেভিওয়েট নেতারা যুক্ত এখন সেই নাম জানতে মরিয়া সিবিআই সেই কর্তারা৷ বিএসএফ কমান্ডার সতীশ কুমারের থেকে এখন সেই নামই জানতে চাইছেন তাঁরা৷

    এরই মধ্যে রাজ্যের তৃণমূল নেতাদের সম্পত্তির তথ্য চেয়ে পাঠাল ইডি৷ দু'টি ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে বলে ওয়াকিবহাল মহলের মত৷ ২০১৬-র নারদকাণ্ডে উত্তাল হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি৷ ফের ২০২১-র বিধানসভা ভোটের আগে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে সেই নারদ কাণ্ড৷ ফিরহাদ, প্রসূন ও মদনের কাছে ইডির নোটিস যেন সেই ইঙ্গিত দিচ্ছে৷


    কিছুদিন আগে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়ের কাছেও ইডির নোটিস পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছিল৷ তাঁকেও সম্পত্তির হিসেব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে খবর৷ যদিও তেমন কোনও চিঠি পাননি বলে জানান মুকুল রায়৷ তবে আপাতত তিনি অসুস্থ ও অস্ত্রোপচার হওয়ার ফলে এই নিয়ে আলোচনা বেশি দূর এগোয়নি৷

    নারদকাণ্ডে সিবিআইয়ের পাশাপাশি ইডিও এই মামলার তদন্ত করছে৷ স্টিং অপরেশনের যাদের দেখা গিয়েছিল, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তাদের সকলকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়৷ এমনকি ভয়েস টেস্টও হয়৷

    (Input-Sukanto Mukherjee)

    Published by:Pooja Basu
    First published:

    লেটেস্ট খবর