• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • EAST WEST METRO TUNNEL WORK HAS BEEN STOPPED DUE TO CORONAVIRUS PANDEMIC DD

করোনার কবলে ৩০ জন আধিকারিক ও কর্মী, ফের বন্ধ ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোর টানেল তৈরির কাজ

মাটির নীচে যে তাপমাত্রা তাতে কারও পক্ষে পিপিই পড়ে কাজ করা সম্ভব নয়

মাটির নীচে যে তাপমাত্রা তাতে কারও পক্ষে পিপিই পড়ে কাজ করা সম্ভব নয়

  • Share this:

#কলকাতা: করোনার ধাক্কা। ফের বন্ধ ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ। ধর্মতলা থেকে বউবাজার অংশে মেট্রোর সুড়ঙ্গ নির্মাণের যারা কাজ করছিলেন তাদের মধ্যে প্রায় ৩০ জন কর্মী-আধিকারিক আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। এর ফলে আগামী ১০ দিন টানেল খোঁড়ার কাজ বন্ধ। করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, যার তত্ত্বাবধানে চলছিল এই কাজ সেই টানেল ইনচার্জ নিজেই। ফলে ফের পিছিয়ে গেল ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের ধর্মতলা থেকে শিয়ালদহ অংশের কাজ।

নানা কারণে কাজ আটকে যাওয়ায় হতাশ কে এম আর সি এল এবং যারা এই অংশে প্রকল্প নির্মাণের দায়িত্বে আছেন সেই সংস্থার প্রতিনিধিরা। গত বছর মেট্রোর সুড়ঙ্গ তৈরির সময় বউবাজারে ভেঙে পড়ে একের পর এক বাড়ি। তার জেরে দুটি টানেল তৈরির কাজ আটকে যায়। একটি টানেল বোরিং মেশিন চান্ডি এখনও মাটির নীচে বউবাজারে আটকে আছে। অপর টানেল বোরিং মেশিন উর্বী টানেল খোঁড়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। লকডাউনের জন্যে সেই কাজ দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকে। অবশেষে অনুমতি পেয়ে সেই কাজ শুরু হলেও তা ফের থমকে গেল। যে গতিতে কাজ এগোচ্ছিল তাতে কে এম আর সি এল আশাবাদী ছিল আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে শিয়ালদহ অবধি টানেল পৌছানো যাবে।

তারই মধ্যে এভাবে একাধিক কর্মী-আধিকারিক করোনা আক্রান্ত হয়ে যাওয়ায় ফের থমকে গেল সেই কাজ। এই অংশে যে সব কর্মী আধিকারিক কাজ দেখাশোনা করছিলেন, তাদের সংখ্যা প্রায় ১৫০ জন। এর মধ্যে কে এম আর সি এল'এর আধিকারিকরা যেমন রয়েছেন তেমনি রয়েছেন নির্মাণ সংস্থার আধিকারিকরাও। মোট ৩ শিফটে এই কাজ করা হত। মাটির নীচে যে তাপমাত্রা তাতে কারও পক্ষে পিপিই পড়ে কাজ করা সম্ভব নয়। ফলে মাটির ২৫ মিটার নীচে নামার আগে তাদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হতো। মাস্ক ও গ্লাভস বাধ্যতামূলক সেখানে। কোভিড পরিস্থিতিতে তা আরও গ্রহণযোগ্য ছিল। এছাড়া স্যানিটাইজার ঘন ঘন ব্যবহার হতো। মাটির নীচে ওই জায়গায় যতটা দুরত্ব বজায় রাখা সম্ভব ততটা রেখেই কাজ চলত। এর পরেও কর্মীরা করোনা আক্রান্ত হওয়ার কারণে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হল সংস্থাকে। আপাতত ১৫০ জনকেই পাঠানো হয়েছে কোয়ারেনটাইনে। টানেল সহ প্রকল্প এলাকা পুরোপুরি স্যানিটাইজ করা হয়েছে। আক্রান্তের মধ্যে টানেল ইনচার্জ নিজেই থাকায় সমস্যা বেড়েছে। আপাতত ১০ দিনের বেশি কাজ বন্ধ রাখা হবে। সকলের স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে আসার পরে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে সংস্থা।

Abir Ghosal

Published by:Debalina Datta
First published: