• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • DURGA PUJA 2021 MA DURGA WEARING GOLD MASK FOR COVID 19 MASS AWARENESS IN KOLKATA SDG

Durga Puja 2021|| সোনার মাস্কে ঢাকা মুখ, হাতে স্যানিটাইজার-মাস্ক, খুঁটিপুজোতেই মণ্ডপে এলেন দশভূজা

সোনার মাস্কে ঢাকা অশ্বিনীনগর বন্ধুমহল ক্লাবের প্রতিমার মুখ।

Kolkata Durga Puja 2021: সোনার মাস্কে ঢাকা মুখ। দশ-হাতে স্যানিটাইজার, পালস অক্সিমিটার, মাস্ক, থার্মাল গান। খুঁটিপুজোর দিন সকালে বাগুইআটির অশ্বিনীনগর বন্ধুমহল ক্লাবে এই অভিনব বেশেই পৌঁছে গিয়েছেন মা দুর্গা।

  • Share this:

#কলকাতা: সোনার মাস্কে ঢাকা মুখ। দশ-হাতে স্যানিটাইজার, পালস অক্সিমিটার, মাস্ক, থার্মাল গান। খুঁটিপুজোর দিন সকালে বাগুইআটির অশ্বিনীনগর বন্ধুমহল ক্লাবে এই অভিনব বেশেই পৌঁছে গিয়েছেন মা দুর্গা। আপাতত পুজো পর্যন্ত এই বেশেই ক্লাব প্রাঙ্গনে থাকবেন তিনি।

অশ্বিনীনগর বন্ধুমহল ক্লাবের সদস্যদের দাবি, তৃতীয় ঢেউ আসছে। মানুষকে তাই সচেতন থাকতে হবে। কিন্তু দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা কমতেই মানুষের মুখ থেকে মাস্ক সরতে শুরু করেছে। সচেতনতা প্রায় উধাও। কিন্তু এ ভাবে চলতে থাকলে যে ঢেউ আসছে, তা রোখা সম্ভব নয়। তাই মানুষকে সচেতন করতেই এত তাড়াতাড়ি মণ্ডপে মা-কে নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁকে সাজানো হয়েছে মাস্ক পরিয়ে। মানুষের দেব-দেবীর প্রতি ভক্তি কখনওই কম নয়। সেই বিশ্বাস থেকেই মানুষ যদি সচেতন হন, সেটাই আমদের প্রাপ্তি।

রবিবার ছিল বন্ধুমহল ক্লাবের খুঁটিপুজো। সেই উপলক্ষে হাজির হয়েছিলেন রাজারহাট গোপালপুরের বিধায়ক তথা কীর্তন শিল্পী অদিতি মুন্সী।অদিতি বলেন, 'মাস্ক এখন আমাদের নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে মাস্ক পরুন। প্রতিমাকে সোনার মাস্ক পরানো হয়েছে প্রতীকি হিসাবে।' তিনি আরও বলেন, 'যদি কোনও জ্যোতিষী আপনাদের বলেন, মাস্ক পরলে একবছর সৌভাগ্য আসবে, তাহলে তো পরতেন। তাহলে সুরক্ষার জন্য মাস্ক কেন নয়? সকলকে অনুরোধ করব, মাস্ক পরুন।'

ক্লাবের সম্পাদক পার্থ সরকার জানিয়েছেন, স্বনামধন্য মৃৎশিল্পী অরুণ পাল করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েই এ বারে ৪১তম বছরে অশ্বিনীনগর বন্ধুমহল ক্লাবের মণ্ডপ নির্মাণ হবে। শিল্পী সম্রাট ভট্টাচার্যের ভাবনায় সেজে উঠবে মণ্ডপ। থিমের পোশাকি নাম 'অরুণ'। পার্থ আরও বলেন, '২০২০ সালে আমরা ঘোষণা করেছিলাম এলাকার একটি দুঃস্থ পরিবারের দুই কন্যা সন্তানের পড়াশুনা এবং বিয়ের দায়িত্ব ক্লাব নেবে। মেয়ে দুটির মা ক্যানসার আক্রান্ত, বাবাও অসুস্থ। আপাতত দুটি মেয়েই পড়াশুনা করছে। মা দুর্গাকে যে 'সোনার মাস্ক' পরানো হয়েছে, প্রতিমা নিরঞ্জনের পরে সেই মাস্ক ওই পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে মেয়ে দুটির বিবাহের প্রয়োজনীয় গয়নার জন্য। অথবা সেই মাস্ক বিক্রিত অর্থ পরিবারের হাতে দেব আমরা।'

শুভাগতা দে

Published by:Shubhagata Dey
First published: