• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • Durga Puja 2021: চকোলেটের দুর্গা প্রতিমা 'দুধে ভাসান'! দুস্থ শিশুদের জন্য বিশেষ আয়োজন, নজির কলকাতার বেকারির

Durga Puja 2021: চকোলেটের দুর্গা প্রতিমা 'দুধে ভাসান'! দুস্থ শিশুদের জন্য বিশেষ আয়োজন, নজির কলকাতার বেকারির

চকোলেটের দুর্গা প্রতিমা 'দুধে ভাসান'! দুস্থ শিশুদের জন্য বিশেষ আয়োজন, নজির কলকাতার বেকারির

চকোলেটের দুর্গা প্রতিমা 'দুধে ভাসান'! দুস্থ শিশুদের জন্য বিশেষ আয়োজন, নজির কলকাতার বেকারির

Durga Puja 2021: শ্রীভুমির বুর্জ খালিফা ছাড়াও, এবছরের দুর্গা পুজোয় রয়েছে আরও বেশ কিছু আকর্ষণ। এর মধ্যে অন্যতম 'চকলেট দুর্গা'।

  • Share this:

    #কলকাতা: এবছরের দূর্গা পুজোর (Durga Puja 2021) প্রধান আকর্ষণ শ্রীভুমি স্পোর্টিং ক্লাবের 'বুর্জ খালিফা'। দুবাইয়ের প্রসিদ্ধ বুর্জ খালিফার আদলে তৈরি এই মণ্ডপ দর্শন করতে দ্বিতীয়া থেকেই উপচে পড়েছে ভিড়। তবে, শ্রীভুমির বুর্জ খালিফা ছাড়াও, এবছরের দুর্গা পুজোয় রয়েছে আরও বেশ কিছু আকর্ষণ। এর মধ্যে অন্যতম 'চকোলেট দুর্গা'। নতুন এই চমক নিয়ে হাজির হয়েছে কলকাতারই এক প্রসিদ্ধ বেকারি সংস্থা। বেলজিয়ান চকোলেটে তৈরি এই দুর্গাপ্রতিমার ওজন প্রায় ২৫ কেজি। সংস্থার পার্ক স্ট্রিটের আউটলেটে এই প্রতিমার দর্শন পেতে হাজির হন বহু মানুষ।

    তবে, ২৫ কেজি ওজনের এই চকলেট প্রতিমা বিজয়া দশমীর পর কীভাবে বিসর্জন করা হবে, এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, সংস্থার এক মুখপাত্র জানান, দুধের মধ্যে এই চকলেট প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। এর ফলে যে 'চকোলেট মিল্কশেক' তৈরি হবে, তা গরিব শিশুদের মধ্যে বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সেই মুখপাত্র।

    চার ফুট উচ্চতার এই দুর্গা প্রতিমাটি নির্মাণ করেছেন সেফ বিকাশ কুমার। এই প্রতিমা তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগে এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন বিকাশ ও তাঁর সঙ্গীরা। এই কাজের জন্য একাধিকবার কুমোরটুলি গিয়ে সেখানকার প্রতিমা শিল্পিদের থেকে পরামর্শও নিয়েছেন তাঁরা।

    এই প্রতিমা বানাতে বিকাশ ও তাঁর সঙ্গীরা নিয়েছেন এক সপ্তাহের কিছু বেশি সময়। মূর্তির গায়ে যাতে কোনও ফাটল দেখা না দেয়, তার জন্য প্রতিমা নির্মাণের সময় কোকো বাটার ব্যবহার করেন নির্মাতারা।

    আরও পড়ুন- করোনা আবহে কৃত্রিম জলাশয়ে প্রতিমা বিসর্জন ত্রিধারা সম্মিলনীর

    আজ বিজয়া দশমী। আর দশমী মানেই আকাশে বাতাশে বিষণ্ণতার সুর। মা দুর্গা ফিরে যাবেন কৈলাসে। সিঁদুর খেলা ও মাকে বরণের মধ্যে দিয়ে এই দিনটি উদযাপন করেন মানুষ। পুজো আসবে আসবে এই রেশ পেরিয়ে মা যখন মর্তে আসেন, নিমেশেই যেন সময় কেটে যায়। চোখের পলকে দশমী চলে আসে। মন ভার করেই এদিন থেকেই শুরু হয়ে যায় পরের বছরের প্রতীক্ষা। বাঙালি এদিন আসছে বছর আবার হবে বলে দেবীকে বিসর্জন দিয়ে মিষ্টিমুখে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: