মিড-ডে মিলে আধার-বাধ্যতায় কী বাড়বে স্কুলছুট পড়ুয়ার সংখ্যা ?

স্কুলে মিড-ডে মিল পেতে হলে থাকতেই হবে আধার কার্ড। আধার না থাকলে স্কুলে দুপুরের খাবারটুকুও মিলবে না।

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Mar 06, 2017 06:59 PM IST
মিড-ডে মিলে আধার-বাধ্যতায় কী বাড়বে স্কুলছুট পড়ুয়ার সংখ্যা ?
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Mar 06, 2017 06:59 PM IST

#কলকাতা: স্কুলে মিড-ডে মিল পেতে হলে থাকতেই হবে আধার কার্ড। আধার না থাকলে স্কুলে দুপুরের খাবারটুকুও মিলবে না। আধার কার্ড না থাকলে কাজ যাবে মিড-ডে মিলের রাঁধুনি ও সহায়ক কর্মীদেরও। সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। কিন্তু স্কুলছুটদের হার কমাতে এবং স্কুলে পড়ুয়াদের সংখ্যা বাড়াতেই তো এই প্রকল্পের সূচনা করেছিল কেন্দ্র। প্রশ্ন উঠছে তবে কি এবার কেন্দ্রের নয়া ফরমানে ফের বাড়বে স্কুলছুটের হার? কাজ হারাবেন এতগুলো মানুষ?

রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি ছাঁটাই। একশো দিনের কাজে আধার কার্ড। এবার শিরোনামে মিড-ডে মিল। স্কুলে দুপুরের খাবার পেতে হলে দেখাতে হবে আধার কার্ড। আধার না থাকলে স্কুল পড়ুয়াদের মিড-ডে মিল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। শুধু পড়ুয়ারাই নয়, আধার কার্ড থাকতে হবে মিড ডে মিলের রাঁধুনি এবং তাঁদের সহকারীদেরও। আর এতেই প্রশ্ন উঠছে, যে কারণে এই প্রকল্পের শুরু, নতুন নিয়মে তা বানচাল হয়ে যাবে না তো? যার মধ্যে স্কুলছুটের হার কমানো অন্যতম। পরিসংখ্যান বলছে,

-- প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণির প্রায় ৮০ লক্ষ পড়ুয়া মিড-ডে মিলের আওতায়

-- রাজ্যে মিড-ডে মিলের রাঁধুনি ও সহায়ক কর্মী প্রায় ১ লক্ষ ১৫ হাজার

-- ২৫ শতাংশ পড়ুয়ার আধার কার্ড নেই

Loading...

-- সহকর্মী ও রাঁধুনি মিলিয়ে ৩০ শতাংশের কার্ড নেই

-- মিড-ডে মিল চালু হওয়ার আগে স্কুলছুটের হার ছিল ৩০ শতাংশ

-- মিড-ডে মিল চালুর পর গত ৫ বছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ

-- ১৫ শতাংশ স্কুলছুটের হার কমার কারণ মিড-ডে মিল

যদিও কলকাতা পুরসভার কোনও স্কুলে এই ফরমান মানা হবে না বলে জানিয়েছেন মেয়র।

পয়লা জুলাই থেকে দেশজুড়ে স্কুলে মিড ডে মিলের জন্য ছাত্রছাত্রীদের আধার কার্ড বাধ্যতামূলক করেছে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রক। এর আগে ১০০ দিনের কাজে যখন আধার কার্ড বাধ্যতামূলক হয়েছিল, তখন তার প্রতিবাদ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারও প্রথম থেকেই সরব তৃণমূল কংগ্রেস।

First published: 06:27:40 PM Mar 06, 2017
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर