corona virus btn
corona virus btn
Loading

ব্যাপক কালোবাজারি! ১ টাকা ২০ পয়সার মাস্ক, ১৫-২০ টাকা দরে দেদার বিক্রি হচ্ছে বাজারে

ব্যাপক কালোবাজারি! ১ টাকা ২০ পয়সার মাস্ক, ১৫-২০ টাকা দরে দেদার বিক্রি হচ্ছে বাজারে

কালোবাজারি চরমে উঠেছে । নীল রঙের যে নাইট্রেল মাস্ক বিক্রি হচ্ছে, সেগুলি বাজারে দশ থেকে কুড়ি টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।

  • Share this:

SHANKU SANTRA

#কলকাতা: বাঙালি সুযোগ পেলে তার সদ্ব্যবহার চিরজীবন করে। করোনা থেকে বাঁচতে গেলে উপায় হিসাবে স্বাস্থ্য দফতর বলছে প্রত্যেককে মাস্ক ব্যবহার করতেই হবে। সেই সুযোগে মাস্কের খুচরো বিক্রেতারা বহাল তবিয়তে দশগুণ, পনের গুণ পর্যন্ত লাভ করে মাস্ক বিক্রি করছে।  সকালে বাজারে কিংবা রাস্তায় বেরোলে দেখা যায় ঠেলাওয়ালা, রিক্সাওয়ালা কিংবা শ্রমিক মানুষগুলোর মুখের মাস্ক বেশ কয়েক দিনের পুরনো নোংরা হয়ে গিয়েছে। সেই মাস থেকে তাঁদের হয়তো আরও কোনও সংক্রমিত জীবাণু শরীরের মধ্যে প্রবেশ করছে। প্রশ্ন করলে একটাই উত্তর 'বাবু মাস্ক রোজ কেনার টাকা নেই, ১০-১৫ টাকা লাগে কিনতে। লকডাউন এ রোজগার একেবারে তলানীতে, খাবারের টাকা জোগার হয় না ,তার ওপর আবার মাস্ক কেনা?'

বাজারে যে সমস্ত মাস্ক ব্যবহার করা হচ্ছে তার মধ্যে বেশিরভাগই কোনও কাজের নয়। নীল রঙের যে নাইট্রেল মাস্ক বিক্রি হচ্ছে, সেগুলি বাজারে দশ থেকে কুড়ি টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। এই মাস্ক গুলো মাত্র এক টাকা কুড়ি পয়সা পাইকারি দরে কিনতে পাওয়া যায়। সেই মাস্ক কী করে অতটা চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে বাজারে। যেহেতু মাস্ক মাত্র কয়েক মাস ব্যাপকভাবে বাজারে বিক্রি হতে শুরু করেছে, সে হেতু সরকারের সে রকম কোনও নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা শুরু হয়নি। বেশিরভাগ মানুষের দাবি, মাস্ক যেখানে সবাইকে ব্যবহার করতেই হবে, সেখানে মাস্কের দামের উপর লাগাম টানা খুবই প্রয়োজন। যার ফলে উপকৃত হবেন সাধারণ মানুষ এবং মধ্যবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত মানুষেরা।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, যেভাবে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে, সেখানে করোনা আটকাতে গেলে মাস্কের ব্যবহারের ওপর এবং মাস্কের গুণগতমানের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে সরকারকে। যত্রতত্র যেখানে সেখানে রেখে যে ভাবে মাস্ক বিক্রি করা হচ্ছে, তাতে সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকছে। কী রকম গুণ মানের মাস্ক ব্যাবহার করা উচিত, সেটা এখনও মানুষের কাছে পরিষ্কার নয়। যার ফলে গামছা কিংবা কাপড়ের আঁচল মাস্ক হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে দেদার।

Published by: Simli Raha
First published: July 28, 2020, 8:49 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर